ডেস্ক রিপোর্টঃ কুমিল্লায় মেঘনা নদীতে খাঁচায় মাছ চাষে আগ্রহ বাড়ছে চাষিদের। দ্রুত বৃদ্ধি পায় বলে এখানে তেলাপিয়া মাছ চাষ করা হচ্ছে। আবার নদীতে চাষ করা মাছের স্বাদ ব্যতিক্রম হওয়ায় বাজারে চাহিদাও বেশি।

নদীতে চার কোনের বাঁশ বা স্টিলের পাইপে জাল লাগিয়ে খাঁচা বানানো হয়। সেই খাঁচা ড্রামে ভাসিয়ে রাখা হয়। পানি বাড়লে খাঁচা উপরে উঠে-কমলে নিচে যায়। সেই খাঁচায় মাছের পোনা ফেলে ভাসমান খাবার দেয়া হয়।

কুমিল্লার মেঘনা উপজেলার ওমরাকান্দা ব্রিজ এলাকাসহ মেঘনা নদীর কয়েকটি পয়েন্টে ব্যক্তি উদ্যোগে খাঁচায় মাছ চাষ করা হচ্ছে।

২০১৭ সালে সরকারিভাবে এখানে নদীতে ১০০টি খাঁচা বসিয়ে খাঁচায় মাছ চাষ প্রকল্প শুরু হলেও বর্তমানে এ নদীতে খাঁচার পরিমান দেড়শ’টি।

>>আরো পড়ুনঃ  কুমিল্লায় হারিয়ে যাচ্ছে দেশীয় প্রজাতির মাছ

এখানে উৎপাদিত মাছে এলাকার চাহিদা মিটছে। ফলে এখানে স্থানীয় যুবকদের কর্মসংস্থানের সাথে এলাকায় বেকারত্বও কমছে। এ বিষয়ে মৎস্য অধিদপ্তর আরও বেশি ভূমিকা রাখলে মাছ উৎপাদনের সাথে এলাকার বেকারত্ব কমবে বলে এলাকাবাসীর অভিমত।

মেঘনা উপজেলার ওমরাকান্দা ব্রিজ এলাকার চাষি জসিম উদ্দিন জানান, মৎস্য অধিদপ্তর তাকে পরামর্শ ও সহযোগিতা করেন। এখন তার খাঁচার সংখ্যা ২০টি। তার খাঁচায় এখন ছোট-বড় মিলিয়ে তিন লাখ ২০হাজার মাছ রয়েছে। মাছ গুলো দ্রুত বাড়ায় তিনি ভালো লাভ পাবেন বলেও আশা করেন।

মেঘনা উপজেলার মৎস্য কর্মকর্তা সুদীপ ভট্টাচার্য জানান, এখানে পুকুরের সংখ্যা কম, তাই নদীতে খাঁচায় মাছ চাষ করা হচ্ছে। নদীতে চাষ করায় তেলাপিয়া মাছে গন্ধ হয় না, এ মাছ দ্রুত বড় হয়।

ইউটিউবে আমাদের চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুন:

ভালো লাগলে শেয়ার করুনঃ