নিজস্ব প্রতিবেদকঃ কুমিল্লাবাসীর গর্ব, সাফল্যের নতুন দিগন্ত, কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য বীরমুক্তিযোদ্ধা হাজী আ.ক.ম বাহাউদ্দিন বাহার।

আ.ক.ম বাহাউদ্দিন বাহার ১৯৫৪ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারী তৎকালীন (পূর্ব পাকিস্তান) কুমিল্লা মুন্সেফবাড়ী সম্ভ্রান্ত পরিবারে জম্ম গ্রহন করেন। তিনি শুধু কুমিল্লার রাজনীতিবিদ নন, তিনি বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত রাজনীতিবীদ। কুমিল্লা পৌরসভার চেয়ারম্যান হয়ে সাফল্যের সহিত ন্যায়-নীতি ভাবে দায়িত্ব পালনসহ কুমিল্লা নগরীর উন্নয়ন করায় হাজী আ.ক.ম বাহাউদ্দিন বাহারকে কুমিল্লা-৬ আসনের জনগণ জাতীয় সংসদ নির্বাচন করার জন্য মনোনিত করেন। বীরমুক্তিযোদ্ধা হাজী বাহার ২০০৮ সালের নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের প্রার্থী হিসেবে কুমিল্লা সদর এলাকার ভোটারদের সিক্ত ভালোবাসায় বিপুল ভোট পেয়ে প্রথম জাতীয় সংসদ সদস্য হয়ে মর্যাদা লাভ করেন।

কুমিল্লার গর্ব বীরমুক্তিযোদ্ধা হাজী আ.ক.ম বাহাউদ্দিন বাহার ২০০৮ সালে প্রথম সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে কুমিল্লা সদর এলাকার উন্নয়নের পাশাপাশি মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও ইভটিজিং প্রতিরোধে ভূমিকা রাখেন। সংসদ সদস্য আ.ক.ম বাহাউদ্দিন বাহার নামটি দীর্ঘ হওয়ায় কুমিল্লার জনগণ সংক্ষিপ্ত নাম রাখেন “হাজী বাহার”। হাজী বাহার নামেই এখন সবাই চিনেন।

হাজী বাহার এমপি’কে পুনরায় ২০১৪ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাছিনা দলীয় প্রতীক “নৌকা” উপহার দেন। ২০১৪ সালের নির্বাচনে নৌকা প্রতীক পেয়ে কুমিল্লা-৬ সদর আসনের সংসদ নির্বাচন করেন- বীরমুক্তিযোদ্ধা হাজী বাহার। একদিকে ভোটারদের জনপ্রিয়তা অন্যদিকে ২০০৮ সালে বাংলাদেশ আওয়ামীগ হতে প্রথম কুমিল্লা সদর আসনে দলীয় প্রার্থী হিসেবে প্রথম সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে কুমিল্লা সদরের ব্যাপক উন্নয়ন করায়- দ্বিতীয় বার (২০১৪) সালে নৌকা প্রতীকে নির্বাচন করে জাতীয় সংসদ সদস্যপদ লাভ করেন হাজী বাহার।

কুমিল্লা নগরীসহ সদর এলাকায় সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও মাদকের বিষয়ে হাজী বাহার এমপি জিরো ট্রলারেন্স ঘোষনা করে তা বাস্তবায়নের উদ্যোগও নেন। কুমিল্লার জনগণের ভোটে দ্বিতীয় বার হাজী বাহার সংসদ সদস্য হয়ে কুমিল্লা সদরের যে উন্নয়ন করেছেন তা ইতিহাসে বিরল হয়ে থাকবে। বীরমুক্তিযোদ্ধা হাজী আ.ক.ম বাহাউদ্দিন বাহার এমপি সর্বদাই কুমিল্লার মানুষের কথা ভেবে সদর এলাকার উন্নয়ন বাস্তবায়ন করেছেন।

দলীয় কর্মকান্ডের পাশাপাশি হাজী বাহার এমপি যেসব ক্ষেত্রে ভূমিকা রেখেছেন- হত-দরিদ্রভাতা, মসজিদ-মুক্তবে অনুদান, কালভার্ট নির্মাণ, পুরাতনরাস্তা সংস্কার ও নতুন করে রাস্তা নির্মাণ, কৃষি খাতের উন্নয়ন, প্রাইমারী-মাধ্যমিক-উচ্চ মাধ্যমিক ও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে মেধাবী সূর্য সন্তানদের উপবৃত্তি, যুদ্ধাহত, বীরমুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযোদ্ধা সন্তান-পরিবারের সদস্যদের সম্মামনা, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, বিদ্যুৎ ও গ্যাস ক্ষেত্রে, স্বাস্থ্য সেবার মান বৃদ্ধি, কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও সদর হাসপাতালের ভবন নির্মাণ, নারী ও শিশুর ক্ষেত্রে উন্নয়ন, বৈদাশিক মান রক্ষা, কুমিল্লা আদালত ভবন নির্মাণ, শাসনগাছায় বেসরকারি মহিলা কলেজ ভবন নির্মাণ, টিক্কাচর গোমতী নদীর ব্রীজ নির্মাণ,কুমিল্লা ফ্লাই ওভার নির্মাণ, গ্রামীণ উন্নয়নসহ প্রায় হাজারেরও বেশি বিভিন্ন খাতে উন্নয়ন মূলক ভূমিকা রেখেছেন।

হাজী বাহার এমপি কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের রুপকার বলে জানা যায়। কুমিল্লার ব্যাপক উন্নয়ন হওয়ায়-জননেত্রী শেখ হাছিনা হাজী আ.ক.ম বাহাউদ্দিন বাহারকে ২০১৮ সালের একাদশ নির্বাচনে টানা ৩য় বার দলীয় প্রার্থী (নৌকা) হিসেবে নির্বাচিত করেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আস্তাবাজন হওয়ায় ২০১৮ সালের ডিসেম্বরের একাদশ নির্বাচনে নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করে ২ লাখ ৯৬ হাজার ৩০০ ভোট পেয়ে জাতীয় সংসদ সদস্য হন বীরমুক্তিযোদ্ধা হাজী আ.ক.ম বাহাউদ্দিন বাহার। আওয়ামীলীগের সভাপতি শেখ হাছিনার আস্তাবাজন নেতা কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য বীরমুক্তিযোদ্ধা হাজী আ.ক.ম বাহাউদ্দিন বাহার তৎকালীন পৌরসভার চেয়ারম্যান হওয়ার পর হতে বর্তমান সময়েও কুমিল্লার ব্যাপক উন্নয়ন চলমান রেখেছেন। তিনি সর্বদা মাদক, সন্ত্রাস ও চোরাকারবারীদের প্রতিহত করে আসছেন।