কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলা সদরের পশ্চিমপাড়া এলাকায় বাবার ইটের আঘাতে ছেলের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত পিতা পলাতক রয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জেলার বুড়িচং উপজেলার সদরের মোঃ আনোয়ার হোসেন এর সাথে তাঁর ছেলেদের মনমালণ্য চলে আসছিলো। বিভিন্ন বিষয় নিয়ে পিতা পুত্রদের মধ্যে প্রাই ঝগড়া বিবাদ হতো।

এরই জের ধরে বৃহস্পতিবার সকালে পিতা আনোয়ার হোসেন ও ছোট ছেলে জাহিদুল হাসান সবুজ ছাদে গাছ লাগাতে যায়। এসময় অপর ছেলে আবুল হাসানের (৩০) ছাদে গিয়ে পিতার সাথে তর্কে জড়িয়ে পরে। এক পর্যায়ে পিতা আনোয়ার হোসেন ও ছোট ভাই জাহিদ ইট ও কোদাল দিয়ে আবুল হোসেনের ঘাড় এবং মাথায় আঘাত করলে সে মারাত্মক ভাবে আহত হয়।

আহত আবুল হাসনকে উদ্ধার করে প্রথমে বুড়িচং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার উন্নত চিকিৎসার জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরন করে। পরবর্তীতে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে সে মারা যায়।

নিহতের অপর বড় ভাই আবুল কালাম জানান, গাছের চারা লাগানো নিয়ে বাবা-ছেলে তিনজনের মধ্যে ঝগড়ার সৃষ্টি হয়। ঝগড়া ও তর্ক-বির্তকের এক পর্যায়ে আবুল হাসান দৌড়ে বাড়ির ছাদের উপর উঠতে গিয়ে হোছট খেয়ে নিচে পড়ে যায়।

নিহতের স্ত্রী তানিয়া আক্তার জানান, টাকা-পয়সা নিয়ে তার স্বামীর সাথে শ^শুড় আনোয়ার হোসেন ও দেবর জাহিদুল হাসান সবুজের প্রায়ই ঝগড়া হতো। এরই পরিপ্রেক্ষিতে সকালে বাড়ির ছাদের উপর গাছের চারা লাগাতে গেলে শ^শুর ও দেবর মিলে ইট ও কোদাল দিয়ে আঘাত করে মেরে ফেলে।

বুড়িচং থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মোজাম্মেল হক বলেন, খবর পেয়ে সঙ্গী ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি এবং নিহতের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। ঘটনার পর অভিযুক্তরা পলাতক রয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

ইউটিউবে আমাদের চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুন: