কুমিল্লা নগরীর অধিকাংশ ফুটপাথ ও সড়ক দখলমুক্ত হওয়ায় খুশি নগরবাসী। ফুটপাথ ও সড়ক দখলমুক্ত করতে এক মাস ধরে নিয়মিত অভিযান চালাচ্ছে জেলা প্রশাসন। এতে যানজট কমছে, সড়কে ফিরে আসছে স্বস্তি। নগরবাসী বলছেন, উচ্ছেদ কার্যক্রম যেন ফলোআপ করা হয়। এছাড়া দিনের বেলা নগরীতে বাস প্রবেশ বন্ধ, সিএনজি অটোরিকশার স্ট্যান্ড সরানোর দাবিও জানান তারা।

সূত্র মতে, সম্প্রতি নগরীর প্রাণকেন্দ্র কান্দিরপাড় এলাকায় সড়কের পাশের প্রায় ২৫টি এবং টমছম ব্রিজ এলাকায় ফুটপাথের ১২টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়। এছাড়া ব্যস্ততম রাজগঞ্জ, মোগলটুলি, চকবাজারে ওই অভিযান চালানো হয়েছে।

সাংবাদিক খায়রুল আহসান মানিক বলেন, দিনের বেলা নগরীতে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বাস প্রবেশ বন্ধ, শাসনগাছা, চকবাজার ও জাঙ্গালিয়ার টার্মিনালের বাইরে বাস যেন না দাঁড়ায় ও নগরীর সড়কের ওপর থেকে সিএনজি অটোরিকশার স্ট্যান্ড সরানো প্রয়োজন। নগরীর যানজট নিরসনে একটি সুষ্ঠু পরিকল্পনা প্রয়োজন। নগরীর উচ্ছেদ কার্যক্রমের সদস্য সচিব কুমিল্লার ট্রাফিক ইন্সপেক্টর মো. এমদাদুল হক বলেন, ফুটপাথ দখলমুক্ত করতে জেলা প্রশাসন, সিটি কপোরেশন ও পুলিশ প্রশাসন যৌথ উদ্যোগে কাজ করছে। সবার সম্মিলিত অংশগ্রহণ থাকলেই এর সুফল পাওয়া যাবে।

বিভিন্ন অভিযানে অংশ নেওয়া জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আবু সাঈদ বলেন, আমরা এক মাস ধরে মাঠে আছি। নগরী যানজটমুক্ত করতে উচ্ছেদ অভিযান চলছে। এছাড়া মাঠে গিয়ে যেসব সমস্যা চোখে পড়ছে তা নোট নিচ্ছি। তা কমিটিকে জানাব।

উচ্ছেদ কার্যক্রমের আহ্বায়ক অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. আরিফুল ইসলাম সরদার জানান, জেলা প্রশাসক মো. আবুল ফজল মীর স্যারের নির্দেশনায় এবং সিটি করপোরেশনের সহায়তায় নগরীর ব্যস্ততম এলাকায় উচ্ছেদ অভিযান হয়েছে। আশা করছি এর মাধ্যমে নগরবাসী উপকৃত হবে। উল্লেখ্য, ফুটপাথ দখল নিয়ে বাংলাদেশ প্রতিদিনে একাধিক সংবাদ প্রকাশিত হয়। গত বছরের নভেম্বর মাসে অনুষ্ঠিত জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় কুমিল্লা নগরীর বেশির ভাগ ফুটপাথ দখল হয়ে যাওয়ার ব্যাপারে আলোচনা হয়। ওই সভায় সিদ্ধান্ত হয় নগরীর সব ফুটপাথ দখলমুক্ত করার।

সূত্রঃ বিডি প্রতিদিন

ইউটিউবে আমাদের চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুন: