কুমিল্লার নাঙ্গলকোটের ঢালুয়া ইউনিয়নের সিংগুরিয়া গ্রামে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে ইজাজুল হক মামুন(২৩) নামে এক যুবককে উপর্যুপরি কুপিয়ে জখম করেছে একই গ্রামের শহীদুল ইসলাম ও তার সন্ত্রাসী বাহিনী। হামলায় মামুনের পিতা ও ভাইসহ ৩ জন আহত হওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। গুরুতর আহত মামুনকে প্রথমে নাঙ্গলকোট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও পরে অবস্থা আশংকাজনক হওয়ায় কুমিল্লা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত ৮ জুন সোমবার বিকেলে সিংগুরিয়া গ্রামের মাও. আবুল বাসার ও তার ৩য় ছেলে জিয়া (২৬) নিজেদের পুকুরে মাছের খাবার দেওয়ার সময়, পূর্ব শত্রুতার জের ধরে একই এলাকার মৃত রফিক সর্দারের ছেলে শহীদুল ইসলাম (৪৪), তার ছেলে রাকিব (১৯) ও তাদের পরিবারের সদস্যসহ ১২/১৩ জন সন্ত্রাসী দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়।

হামলার খবর শুনে বাড়িতে থাকা মাও. আবুল বাসারের ছোট ছেলে ইজাজুল হক মামুন বাধা দিতে আসলে তাদেরকে অতর্কিত হামলা করে আহত করা হয়। এতে মামুনের মাথা ফেটে যায় ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে যখম হয়। পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে নাঙ্গলকোট উপজেলা কমপ্লেক্সে ভর্তি করান। হামলার শিকার মামুনের পারিবারিক সূত্র জানায়, এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।

স্থানীয়রা আরও জানায়, মৃত রফিক সর্দারের ছেলে শহীদুল ইসলাম ও তার সন্ত্রাসীরা এলাকায় প্রায়ই বিভিন্ন পরিবারের উপর অন্যায়ভাবে হামলা চালিয়ে আসছে। বর্তমান (জুন) মাসের প্রথম সপ্তাহে তারা (শহীদুল ইসলামের পরিবার) এটিসহ আরও ৩টি পরিবারের উপর হামলা চালিয়েছে।
এ বিষয়ে ঢালুয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নাজমুল হাসান বাছির বলেন, দুই পক্ষই আমাকে ফোনে বিষয়টি অবহিত করেছে। স¦শরীরে তারা কেউ আসেনি। ঘটনার বিস্তারিত আমার জানা নেই। বিস্তারিত জানলে পরবর্তী ব্যবস্থা নিতে পারবো।

ঘটনার বিষয়ে নাঙ্গলকোট থানার উপপরিদর্শক সোহেল জানান, বিষয়টি আমরা জেনেছি। ভিকটিমের পরিবার থানায় অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত স্বাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

উল্লেখ্য, মৃত রফিক সর্দারের ছেলে শহীদুল ইসলামের নেতৃত্বে ২০১৮ সালের ১২ সেপ্টেম্বরেও মাও. আবুল বাসারের বাড়ি ওদোকানপাটে হামলা করা হলে তার পরিবারের বেশ কয়েকজন আহত হয়।

ইউটিউবে আমাদের চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুন: