ডেস্ক রিপোর্টঃ চারুকলা ইনস্টিটিউট, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র ও বর্তমান কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের জুনিয়র শিক্ষক মোঃ ফারুক আহমেদ এর দুটি কিডনিই অকেজো হয়ে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে। তার দেহের দুইটি কিডনি ৯৫ ভাগ নষ্ট হয়ে গেছে।

শিক্ষক মোঃ ফারুক আহমেদ বাঁচতে চায়! অকেজো হয়ে যাওয়া কিডনি ডায়ালাইসিস খরচ, কিডনি সংগ্রহ, প্রতিস্থাপন এবং তার চিকিৎসার প্রয়োজনে ব্যয় করার মত অর্থ তার পরিবারের নেই। তাই সমাজের বিত্তবান মানুষের কাছে তার পরিবার সাহায্যের আবেদন জানিয়েছে।

মোঃ ফারুক আহমেদ জানায়, কিডনি ডায়ালাইসিসের মাধ্যমে তাঁর শরীরের রক্ত পরিশোধন করা হয় এবং এর মাধ্যমে সে বেঁচে আছে। তাঁর চলাফেরা সীমিত, সে কাজ করতে পারে না, দূরে কোথাও ঘুরতে যেতে পারে না এমনকি খাওয়া-দাওয়াও খুব সীমিত। সবসময় ক্লান্ত অনুভব করেন তিনি। একটি নতুন কিডনি পেলে সে বাঁচতে পারবে বলে জানায়।

জানা যায়, প্রতিদিন কিডনি ডায়ালাইসিসে বর্তমানে প্রতি সপ্তাহে কমপক্ষে ১০-১২ হাজার টাকা লাগে।

আদরের সন্তান, পরিবার ও সমাজকে নিয়ে তাঁর স্বপ্ন ছিল আকাশছোঁয়া। শিক্ষার্থীদের স্বপ্নদ্রষ্টা শিক্ষক মোঃ ফারুক আহমেদ মরণব্যাধিতে আক্রান্ত হয়ে এখন হাসপাতালের বিছানায়। নীরবে নিভৃতে এখনো স্বপ্ন দেখেন নিজ শিক্ষাঙ্গনে ফিরে গিয়ে প্রিয় শিক্ষার্থীদের মাঝে জ্ঞানের আলো ছড়ানোর। নিয়তীর নির্মম পরিহাসে তার স্বপ্নগুলো বিলুপ্তপ্রায়।

যদি কোন সাহায্যকারী মোঃ ফারুক আহমেদকে কিডনি দিয়ে সহায়তা করেন এবং তার চিকিৎসায় আপনারা যদি আর্থিক সাহায্য পাঠাতে চান তাহলে নিচের বিকাশ নাম্বারে সহায়তা পাঠাতে পারেন:-

বিকাশঃ ০১৮১৫৬০১৬০৩ (ফারুক আহমেদ)