মারুফ আহমেদঃ কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার নিমসার এলাকায় বুধবার গভীর রাতে থানা পুলিশের একটি দল রফিক নামের এক ইউপি সদস্যের বাড়ির কলাপসিবল গেটসহ বেশ কিছু জানালা ভাংচুর করে। এসময় কথিত চুরির মামলার কথা বলে তার ভাই জহিরুলকে আটকে মারধোর করে থানায় নিয়ে যায়।

স্থানীয় নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সুত্র জানায়,কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার মোকাম ইউনিয়নের মৃত আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে জহিরুল ইসলামসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে পাশ্ববর্তী মোকাম গ্রামের আনু মিয়ার পুত্র আলমগীর বিগত ২০০৯ সালে বুড়িচং থানায় একটি চুরির মামলা দায়ের করে। এমামলার অন্যান্য আসামীরা হলো,একই এলাকার সাবেক ইউপি সদস্য হুমায়ুণ কবির ,আমির হোসেন,মোঃ বাবুল,আব্দুল কাদের জিলানী।

আটক জহিরুল ইসলামের ভাই বর্তমান মোকাম ইউনিয়ন এর ৬ নং ওয়ার্ড মেম্বার রফিক জানান,মামলার পর স্থানীয়ভাবে দু’পক্ষের মাঝে সমঝোতা হয়েছিল ২০১১ সালের ৩ জানুয়ারী। কিন্তু অজ্ঞাত কারণে বুড়িচং থানার এসআই ইখতিয়ার বুধবার রাত আনুমানিক ২ টায় একদল পুলিশসহ তাদের নিমসার এলাকার বাড়িতে হানা দেয়। এসময় বাহিরের গেট খোলা পেয়ে পুলিশ বাড়ির আঙ্গীনায় এসে অকথ্য ভাষায় গালাগালিসহ ঘরের দরজা খোলার জন্য হুমকী দেয়। এক পর্যায়ে পুলিশ বাড়ির কলাপসিবল গেটের তালা ভেঙ্গে ঘরে প্রবেশের চেষ্টা চালায়। রফিক মেম্বার আরো বলেন,এসময় পুলিশ উত্তেজিত হয়ে একপর্যায়ে বাড়ির ৪ টি জানালার গ্লাস ভাংচুর করে। এরপর কথা আছে বলে বাইরে ডেকে নিয়ে জহিরুলকে আটকে মারধোর করে থানায় নিয়ে যায়।

বিষয়টি জানতে এসআই ইখতিয়ার হোসেনের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি ভাংচুরের বিষয়টি অস্বীকার করেন।

ইউটিউবে আমাদের চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুন: