বুড়িচং (কুমিল্লা) প্রতিনিধিঃ কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার কংশনগর গ্রামের এক কিশোরীকে গত ২ বছর ধরে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে সোহেল (২০) নামের এক লম্পট ধর্ষন করে আসছে। গত মঙ্গলবার কুমিল্লা আদালতে এই ঘটনায় কিশোরীর পিতা নান্নু মিয়া বাদী হয়ে একটি নারী শিশু নির্যাতনে মামলা দায়ের করে। ওই রাতে বুড়িচং থানার দেবপুর পুলিশ ফাড়িঁর এস.আই. শাহিন কাদির অভিযান চালিয়ে লম্পট যুবক সোহেলকে পুলিশ গ্রেফতার করে।

অভিযোগের বিবরনে জানা যায়, জেলার বুড়িচং উপজেলার ভারেল্লা উত্তর ইউনিয়নের কংশনগর গ্রামের রিকশা চালক নান্নু মিয়ার কিশোরীর মেয়ের সঙ্গে একই গ্রামের মোঃ নজির আহমেদের লম্পট ছেলে বিগত দুই বছর ধরে ওই কিশোরী মেয়েকে বিভিন্ন সময় সুযোগ বুঝে তার বাড়িতে গিয়ে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে কিশোরীর সঙ্গে দৈহিক মিলনে মিলিত হত। কিশোরীর পিতা নান্নু মিয়া জানায় তিনি ঢাকা শহরে রিকশা চালাতেন আর তার স্ত্রী কিশোরীর মা ফরিদা আক্তার একজন মানুষিক রোগী। এই সুযোগ নিয়ে রাতে তার ঘরে এসে কিশোরীকে বিভিন্ন সময় এভাবে ধর্ষন করত। তিনি আরো জনান গত ২৪ এপ্রিল রাত ১ টায় সোহেল বাড়ির লোকজনের অজান্তে আমার ঘরে প্রবেশ করে কিশোরী মেয়েকে জোর পূর্বকভাবে ধর্ষন করে। এর এক পর্যায় আমার কিশোরী মেয়ে আমাকে এবং পরিবারের অন্যান্য লোকজনদেরকে বিষয়টি জানায়। আমি এবং পরিবারের অন্যান্য লোকেরা সোহেলকে বিষয়টি জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে আমাদেরকে বিভিন্নভাবে হুমকি ধমকি ভয়-ভীতি দেখায়। এমনকি এ বিষয়ে মামলা করলে প্রানে মেরে ফেলার হুমকিও দেয়। তাই গত মঙ্গলবার মোঃ নান্নু মিয়া বাদী হয়ে কুমিল্লা আদালতে একটি শিশু ও নারী নির্যাতনে একটি মামলা দায়ের করে। মঙ্গলবার রাতে বুড়িচং থানার দেবপুর পুলিশ ফাড়িঁর এস.আই. শাহিন কাদির সঙ্গীয় ফোর্স সহ অভিযান চালিয়ে লম্পট যুবক সোহেলকে বাড়ি থেকে গ্রেফতার করে। বুধবার সকালে বুড়িচং থানা পুলিশ আসামী সোহেলকে কুমিল্লা কোর্টের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরন করে।

ইউটিউবে আমাদের চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুন:

ভালো লাগলে শেয়ার করুনঃ