কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার বাঙ্গরা বাজার থানাধীন পিপড়ীয়াকান্দা এলাকা থেকে নিখোঁজের দুই দিন পর সুমন মিয়া (১৭) নামের এক অটোরিক্সা ড্রাইভারের লা’শ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

রবিবার বিকেলে উপজেলার শ্রীকাইল ইউনিয়নের উত্তর পেন্নই গ্রামের রাস্তার পাশের খাল থেকে তার লা’শ উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় পার্শবর্তী জেলার বাঞ্ছারামপুর থানার দড়িকান্দি গ্রামের আব্দুর রহিম মিয়ার ছেলে আব্দুল কাদির জিলানীকে আটক করা হয়েছে।

নি’হত সুমন মিয়া বাঞ্ছারামপুর থানাধীন পূর্বহাটি গ্রামের ইসমাইল মিয়ার ছেলে।

জানা যায়, গত শুক্রবার (৬ মার্চ) রাত অনুমানিক ৮ টা থেকে ৯ টার দিকে ফরদাবাদ-রামচন্দ্রপুর রোড থেকে অটোরিক্সাসহ নিখোঁজ হয় সুমন। ওই রাতেই চারজন যুবক অটোরিক্সাটি বিক্রি করতে যাওয়ার পথে দেবিদ্বার থানার দেবপুর বাজারের নাইট গার্ডদের সন্ধেহ হলে তারা ওই যুবকদের তারা করে। পরে ওই চার যুবক অটোরিক্সাটি ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। পরদিন শনিবার সকালে অটোরিক্সাটি পুলিশ হেফাজতে দেবিদ্ধার থানায় নিয়ে আসে। এদিকে অটোরিক্সা চালক সুমনকে খুঁজে না পেয়ে তার বাবা বাদী হয়ে শুক্রবার (৬ মার্চ) রাতেই বাঞ্ছারামপুর মডেল থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি করেন।

এ বিষয়ে বাঞ্ছারামপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ সালাউদ্দীন চৌধুরী বলেন, অভিযোগের ভিত্তিতে আমরা সন্দেহজনক ভাবে আব্দুল কাদির জিলানীকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করি। সে জিজ্ঞাসাবাদে সুমনকে খু’ন করে লা’শ গু’ম করার কথা স্বীকার করে। পরে রবিবার সন্ধ্যায় জিলানির কথা অনুযায়ী বাঙ্গরা বাজার থানার পুলিশ পরিদর্শক তদন্ত অমর চন্দ্র দাশ ও এস আই জীবন রায় চৌধুরীর সহযোগীতায় রবিবার বিকেলে উত্তর পেন্নই গ্রামের রাস্তার পাশের খাল থেকে সুমনের লা’শ উদ্ধার করা হয়। যেহেতু ঘটনাটি বাঙ্গরা বাজার থানাধীন, মামলার কার্যক্রম বাঙ্গরা বাজার থানাতেই চলবে।

এ ব্যপারে বাঙ্গরা বাজার থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ কামরুজ্জামান তালুকদার বলেন, আমরা লা’শ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে তদন্ত অনুযায়ী সকল আসামীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।