ডেস্ক রিপোর্টঃ কুমিল্লার মুরাদনগরে প্রেসক্লাবের তথাকথিত কমিটি ঘোষণা নিয়ে এলাকায় চরম বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে হঠাৎ দুয়েকজন নামধারী সাংবাদিক এলাকায় বিশৃংখলা সৃষ্টির লক্ষ্যে স্বঘোষিত একটি কমিটি ঘোষণা করে।

এ নিয়ে এলাকায় চরম বিতর্ক সৃষ্টি হয়। তথাকথিত এই কমিটিতে ভিন্ন পেশায় জড়িত থাকবে না মর্মে অঙ্গীকারকারী কলেজ শিক্ষক আজিজুর রহমান রনিকে সভাপতি এবং আরিফকে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ঘোষণা করা হয়। উল্লেখ্য চলতি বছরের ফেব্রুয়াারী মাসে মুরাদনগর আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব ইউসুফ আবদুল্লাহ হারুন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাগণসহ উপজেলার সকল শ্রেণী পেশার লোকজন এবং জেলা এবং উপজেলা পর্যায়ের সকল সাংবাদিকদের উপস্থিতি এবং মতামতের ভিত্তিতে তিন বছর মেয়াদি একটি কমিটি গঠন করা হয়। কিন্তু বৈধ এ কমিটি বহাল থাকা অবস্থায় বৃহস্পতিবার তথাকথিত আরেকটি কমিটি ঘোষণা করায় এলাকার সকল শ্রেণী-পেশার লোকজনের মাঝে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে। এদিকে নারী নির্যাতন ধর্ষণ চাঁদাবাজি ও প্রধানমন্ত্রীকে কটুক্তি মামলার আসামি হাবিবুর রহমান কর্তৃক এ কমিটি ঘোষণা করায় এলাকায় সমালোচনার সৃস্টি হয়।

মুরাদনগর প্রেসক্লাবের স্বঘোষিত তথাকথিত এ কমিটি নিয়ে বিভ্রান্তি না হওয়ার জন্য প্রেসক্লাবের সভাপতি আবুল খায়ের এবং সাধারন সম্পাদক বেলাল উদ্দিন আহমেদ সর্বস্তরের এলাকাবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছন। স্বঘোষিত কমিটিতে প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে সংসদ সদস্য আলহাজ্ব ইউসুফ আব্দুল্লাহ হারুন সাহেবের নাম ব্যবহার করা হলেও বাস্তবে তিনি এ সম্পর্কে কিছুই জানেন না বলে জানান।

বিষয়টি নিয়ে বৃহস্পতিবার বিকালে মুরাদনগর প্রেসক্লাবের সভাপতি আবুল খায়ের সংসদ সদস্যের সাথে সাক্ষাত করলে তিনি কথিত কমিটি সম্পর্কে কিছুই জানেন না বলে জানিয়েছেন। এবং এই ধরনের প্রক্রিয়ায় মুরাদনগরে প্রেসক্লাবের কমিটি গঠন করা সমীচীন হয়নি বলে তিনি মন্তব্য করেন। তবে শিগগিরই বিরাজমান দ্বন্দ্বে লিপ্ত সাংবাদিকদের দুটি গ্রুপকে নিয়ে তিনি আলোচনায় বসবেন বলে জানান। আলোচনার মাধ্যমেই প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের বিরোধ নিরসনের আশ^াস প্রদান করেন।

ইউটিউবে আমাদের চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুন: