ঢাকাটাইমস২৪ঃ কুমিল্লা সিটি করপোরেশন (কুসিক) ও জেলা পরিষদের যৌথ উদ্যোগে নগরীর ফুটপাত ও দখলমুক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। বুধবার দুপুরে কুমিল্লা নগরীর পুলিশ লাইন থেকে কান্দিরপাড় পর্যন্ত সড়কের দুইপাশে গড়ে উঠা ফুটপাত ও অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়। দখলমুক্ত অভিযান পরিচালনায় উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের মেয়র মনিরুল হক সাক্কু।

কুমিল্লা সিটি করপোরেশন সূত্র জানায়, বুধবার থেকে কুমিল্লা সিটি করপোরেশন ও জেলা পরিষদের যৌথ উদ্যোগে নগরীর বিভিন্ন সড়কে ফুটপাত ও দখলমুক্ত অভিযান শুরু হয়েছে। কুসিকের তালিকা অনুযায়ী ১৯টি ভবনের নকশা বহির্ভূত বর্ধিত অংশ ভেঙে দখলমুক্ত করা হবে। এছাড়া নগরীর বহুতল বভনের বেইজমেন্টগুলোতে অব্যধভাবে গড়ে উঠা হোটেল রেস্টুরেন্টগুলো ভেঙে তালা লাগিয়ে দেয়া হবে। এছাড়া কুসিকের দেয়া নকশার অনুযায়ী পাঁচ তলার উপরে অবৈধভাবে বাড়তি দুই তলা নির্মাণ করায় নগরীর কান্দিরপাড় গোল্ডেন টাওয়ার দখলমুক্ত করতে গেলে কর্তৃপক্ষ সময় দাবি করেন। তারপর কুসিকের মেয়র মনিরুল হক সাক্কু কর্তৃপক্ষকে তিন দিনের সময় বেঁধে দেন।

এ ব্যাপারে কুসিকের মেয়র মনিরুল হক সাক্কু বলেন, আজ থেকে আমাদের দখলমুক্ত ও ফুটপাত উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা শুরু হয়েছে। তা অব্যাহত থাকবে। তিনি বলেন, নগরীর বিভিন্ন সড়কের দুইপাশে গড়ে উঠা নকশা বহির্ভূত ভবনের বর্ধিত অংশ ভেঙে দখল মুক্তকরণ, দুইপাশের ফুটপাত উচ্ছেদ, বহুতল ভবনের বেইজমেন্ট ভেঙে তালা লাগানো হবে। এমনকি নগরীর যানজট দূরীকরণের লক্ষ্যে সড়কের উপর অবৈধ গাড়ি পার্কিং এবং সিএনজি চালিত অটোরিকশার ও ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার স্ট্যান্ডের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, অভিযুক্ত ১৯টি ভবন ও বেইজমেন্টের কর্তৃপক্ষকে একাধিকবার নোর্টিশ দেয়া হয়েছে। তারা ব্যক্তিগতভাবে কোনো ব্যবস্থা না নেয়ায় আজ ভেঙে দখলমুক্ত ও উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা শুরু করেছি।

অভিযানে এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন, কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা অনুপম বড়–য়া, সচিব হেলাল উদ্দিন, নির্বাহী ম্যাজেস্ট্রেট নওরীন হকসহ পুলিশ সদস্যরা।

ইউটিউবে আমাদের চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুন: