ডেস্ক রিপোর্টঃ ২৮ অক্টোবর শনিবার দৈনিক নয়া দিগন্ত পত্রিকায় ‘যত পারো আসামির সাথে দেখা করাও কিন্তু রেট কমাইওনা’ শীর্ষক প্রকাশিত প্রতিবেদনের প্রতিবাদ জানিয়েছেন কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপারের পক্ষে জেলার নাশির আহমেদ। এক প্রতিবাদলিপিতে তিনি বলেন, কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগার সম্পর্কে যে অভিযোগ আনা হয়েছে তা বিভ্রান্তিমূলক ও অসত্য। কারাগারের প্রতিটি কার্যক্রম কারাবিধি অনুযায়ী যথাযথভাবে সম্পন্ন হয়, কোনো ক্ষেত্রে এর ব্যত্যয় ঘটে না। কারাগারে বন্দীদের আত্মীয়স্বজন সাক্ষাতের জন্য এলে সরকারি খরচে ছাপানো আবেদনের মাধ্যমে সাক্ষাৎ করানো হয়। বন্দীদের সাথে সাক্ষাতের সময় দর্শনার্থীদের প্ররোচিত করে কারো পক্ষে আর্থিক সুবিধা নেয়ার কোনো সুযোগ নেই। কর্মকর্তাদের সার্বক্ষণিক তদারকিতে বন্দী সাক্ষাৎ সম্পন্ন হয়ে থাকে। অসুস্থ বন্দীদেরই কেবল কারা হাসপাতালে সিভিল সার্জনের তত্ত্বাবধানে সদর হাসপাতালের একজন চিকিৎসকের তদারকিতে চিকিৎসাসেবা প্রদান করা হয়। বন্দীদের কারাবিধি অনুযায়ী মানসম্পন্ন খাবার পরিবেশন করা হচ্ছে। কারারক্ষীদের কর্তব্য প্রতিনিয়ত পরিবর্তন করা হয়। সুতরাং সিন্ডিকেট চক্র গড়ে ওঠার কোনো সুযোগ নেই। প্রতিবেদনে কারাগারের আয়তন এবং বিভাগীয় কারাগারে আটক বন্দী সম্পর্কেও সঠিক তথ্য প্রদান করা হয়নি।

প্রতিবেদকের বক্তব্য 
সরেজমিন প্রত্যক্ষ করেই প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে। অসত্য ও বিভ্রান্তিমূলক তথ্য দেয়ার কোনো সুযোগ নেই। টাকার বিনিময়ে কারা হাসপাতালে আরামে থাকার তথ্য ওই কারাগারে আটক কোতোয়ালি থানার একটি মাদক মামলার আসামির স্বজনেরাই দিয়েছেন। একই সাথে কারাগারের গেটের সামনেই এ প্রতিবেদকের সাথে (সুজন মিয়া, উত্তম ও একজন সিভিল পোশাকের কারারক্ষী) তিন কারারক্ষী প্রতিযোগিতা করে দেখা করানোর জন্য নির্দিষ্ট পরিমাণের টাকা দাবি করেছেন। যার রেকর্ড এ প্রতিবেদকের হাতে রয়েছে। কারাগারের কাউকে হেয়প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যে প্রতিবেদন তৈরি করা হয়নি। সরেজমিন যা হচ্ছে প্রতিবেদনে শুধু তাই উল্লেখ করা হয়েছে। প্রতিবাদের এক জায়গায় বলা হয়েছে, কারাগারের আয়তন এবং চট্টগ্রাম বিভাগের কারাগারগুলোয় আটক বন্দী সম্পর্কেও সঠিক তথ্য দেয়া হয়নি। কারা কর্তৃপক্ষের এমন বক্তব্যের ব্যাপারে বলা যায় যে, ভুলবসত ভেতরে ৩৬ একরের জায়গায় ৩২ ও বাইরে ৩২ একরের জায়গায় ৩৬ একর ছাপা হয়েছে।

সূত্রঃ নয়া দিগন্ত

ইউটিউবে আমাদের চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুন: