কুমিল্লা নগরীর প্রবেশ পথ আলেখারচর বিশ্বরোড ও উন্মুক্তো বিশ^বিদ্যালয় এলাকার সড়কটিতে দীর্ঘদিন ধরে পানি জমে আছে। খানাখন্দের কারনে সড়কের মধ্যে পানি জমে থাকে। উঠে গেছে সড়কের পিস। প্রতিদিন ঘটছে ছোট-বড় দূর্ঘটনা। ঝুকি নিয়ে চলছে যানবাহন।

সরেজমিনে দেখা যায়, আলেখারচর মেডিসিন মার্কেটের সামনে ৩০ মিটারজুড়ে খানাখন্দ। এছাড়াও সড়কটির উন্মোক্ত বিশ^বিদ্যালয়ের সামনে রয়েছে খানাখন্দক। সংস্কার না হওয়ায় দীর্ঘদিন পানি জমে আছে।

সিএনজি চালিত অটোরিক্সার চালক কালাম জানান, পুরোটা সড়ক ভালো। শুধু মেডিসিন মার্কে আর উন্মোক্ত বিশ^বিদ্যালয়ের সামনেই ভাঙ্গা। এই ভাঙ্গা দিয়া বহুত গাড়ি নষ্ট হইছে। রাস্তাটা ঠিক হইলে গাড়ি চলাইতে সুবিধা হইতো।

সড়কটি দিয়ে প্রতিদিন কুমিল্লা মহানগরীতে ঢাকা, সিলেট, ব্রাহ্মনবাড়িয়াসহ জেলার দাউদকান্দি, হোমনা, তিতাস, মুরাদনগর, দেবিদ্বার, চান্দিনা, বুড়িচং, ব্রাহ্মণপাড়া ছাড়াও নগরীর পাশ্ববর্তী ময়নামতি সেনানিবাস, সদর উপজেলার আলেখারচর, দুর্গাপুর, সৈয়দপুর, নিশ্চিন্তপুর এলাকা থেকে হাজার মানুষ নগরীতে প্রবেশ করে। তবে সড়কটির এ অংশে ভাঙ্গা থাকার কারনে চরম ঝুকি নিয়ে নগরীতে প্রবেশ ও প্রস্থান করতে হয়।

সম্প্রতি গর্ত ভরাটে ইট ব্যবহার করলেও এখনে রয়ে গেছে বেশ কয়েকটি গর্ত। ফলে প্রতিদিনই দুর্ভোগে পড়ছে যানবাহনের যাত্রীরা। তবে পথচারী ও যাত্রীরা সড়কটির স্থায়ী সংস্কার চায়।

ভাঙ্গা সড়কটির বিষয়ে স্থানীয়া জানান, সাম্প্রতিক সময়ে ওই স্থানে কয়েকটি বিল্ডিং নির্মান করার কারনে ড্রেন ভরাট করা হয়েছে। তাই পানি নিস্কাশনের ড্রেন না থাকায় সড়কটিতে পানি জমে যাচ্ছে। পানি থাকার কারনে পিস ও খোয়া উঠে গিয়ে বড় বড় গর্ত সৃষ্টি হচ্ছে। এসব গর্তের কারনে প্রতিদিনই ছোট-বড় দূর্ঘটনা ঘটছে।

এ বিষয়ে কুমিল্লা সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী রেজা ই রাব্বী জানান, মূলত অনেকেই ব্যক্তি স্বার্থে সড়কটির পাশের ড্রেনটি ভরাট করে ফেলেছেন। যে কারনে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। তবে এখানের জলাবদ্ধতা নিরসনে আমাদের দীর্ঘ মেয়াদী পরিকল্পনা আছে। আপাতত যান চলাচলের জন্য যতটুকু সংস্কার প্রয়োজন আমরা করবো।

ইউটিউবে আমাদের চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুন: