মো. জাকির হোসেনঃ দেশের প্রধান জাতীয় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার বুড়িচং এলাকায় সড়কের দু’পাশে অবৈধভাবে যানবাহন দাড় করিয়ে ঘন্টার পর ঘন্টা চালকরা বিশ্রামসহ খাওয়া-দাওয়ায় ব্যস্ত সময় পার করায় দুর্ঘটনার ঝুঁকিতে রয়েছে মহাসড়কে চলাচলরত হাজার হাজার যানবাহনের চালকরা। আর এভাবে প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত এভাবে গাড়ি রেখে দুর্ঘটনার ঝুঁকিতে রাখলেও সংশ্লিস্ট কর্তৃপক্ষের কোন খেয়াল নেই।

সরেজমিনে মহাসড়কের বুড়িচং উপজেলার নাজিরাবাজার,কালাকচুয়া,কোরপাই,নিমসার বাজার এলাকায় দেশের ব্যস্ততম প্রধান জাতীয় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের দু’পাশ ঘুরে দেখা যায়,উল্লেখিত স্থানগুলোতে মহাসড়কের পাশে গড়ে উঠা বিভিন্ন হোটেল,সিএনজি ও পেট্রোল পাম্পসহ বাজার এলাকায় মহাসড়কের উপর দু’পাশঝুড়ে চালকরা তাদের ট্রাক,কাভার্ডভ্যান,ট্রেইলরসহ বিভিন্ন শ্রেনীর যানবাহন রেখে ঘন্টার পর ঘন্টা বিশ্রাম,খাওয়া-দাওয়াসহ নানা আনুষাঙ্গিক কাজ করছে। এতে করে মহাসড়কে চলাচলরত বিভিন্ন শ্রেনীর দ্রুতগামী যানবাহনের চালকদের এসবস্থানে এসে গাড়ির গতি কমিয়ে পারাপার হতে দেখা যায়।

ঢাকা-চট্টগ্রাম পথে যাতায়াতকারী বিলাসবহুল এস আলম পরিবহনের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন চালক জানান, মহাসড়কের ফোর লেনের দু’অংশজুড়ে প্রতিদিনই বিভিন্ন মালামাল পরিবহনকারী যানবাহনের চালকরা গাড়ি মহাসড়কের উপর রেখেই অলস সময় পার করছে। এতে করে দ্রুতগামী যানবাহনের চালকরা দুর্ঘটনা এড়াতে ওই স্থানগুলোতে গতি কমিয়ে দিতে বাধ্য হন। তিনি আরো বলেন, মহাড়কের পাশে যানবাহন রাখার জন্য নির্ধারিত স্থান থাকলেও অপরিকল্পিতভাবে মহাসড়কের পাশে দোকান-পাট,ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠায় ওই সকল হোটেল,সিএনজি ফিলিং স্টেশন,পেট্রোল পাম্পসহ দোকান-পাটের সামনে মালবাহী যানবাহনের চালকরা গাড়ি রেখে ঘন্টার পর ঘন্টা তাদের প্রয়োজনীয় কাজগুলো সেরে নিচ্ছে। এতে দুর্ঘটনার ঝুঁকিতে মহাসড়কে চলাচলরত বিভিন্ন যানবাহনের চালক ও যাত্রীদের।

নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক দায়িত্বশীল একটি সুত্র জানায়, মহাসড়কের উপর যানবাহন ঘন্টার পর ঘন্টা রাখায় এসবস্থানে থেমে থেমে যানজটও সৃষ্টি হচ্ছে। আর এই চিত্র প্রতিদিনের হলেও সংশ্লিস্ট কর্তৃপক্ষের কোন খেয়াল নেই। বিষয়টি জানতে হাইওয়ে পূর্বাঞ্চল (কুমিল্লা)’র পুলিশ সুপার পরিতোষ ঘোষ বলেন, জায়গা স্বল্পতার কারন ও মানবিক দিক বিবেচনা করে স্বল্প সময়ে জন্য গাড়িগুলোকে মহাসড়কের পাশে যাত্রা বিরতিতে পুলিশ বাধাঁ প্রদান করছেনা। তিনি আরো বলেন, এতে করে দুর্ঘটনার ঝুঁকিও কমে গেছে।

ইউটিউবে আমাদের চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুন: