কুমিল্লার বিখ্যাত প্রাচীন সমৃদ্ধশালী জনপদ বুড়িচং উপজেলার ভারেল্লা। এখানেই প্রায় ৭’শত বছর পূর্বে ইসলাম প্রচারে এসেছিলেন শাহ ঈসমাইল (রাঃ), শাহ ইসরাইল (রাঃ)। এই জনপদটির নামেই এখানে বর্তমানে ভারেল্লা দক্ষিণ ও ভারেল্লা উত্তর নামে দুটি ইউনিয়ন। সারা পৃথিবীর ন্যায় বাংলাদেশও যখন মহামারি কোভিড-১৯’র কারণে লন্ডভন্ড, তখন বাদ যায়নি এই ঐতিহ্যবাহী সমৃদ্ধ জনপদটি। সরকার সারাদেশে সরকারী-বেসরকারী যাবতীয় প্রতিষ্ঠান, যানবাহন, হাট-বাজার, দোকান-পাট, বিপণী বিতান, মার্কেট, হাসপাতালসহ সর্বত্রই মাস্ক ব্যবহার বাধ্যতামূলক করেছেন। এজন্য সরকারী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি বেসরকারী বা স্বেচ্ছাসেবী বহু সংগঠন প্রতিদিনই জনগণের সচেতনতার পাশাপাশি বিনা মূল্যে মাস্ক বিতরণ করে আসছেন।

একইভাবে ভ্রাম্যমান আদালত বসিয়ে মাস্ক ব্যবহার না করার কারণে আর্থিক জরিমানাও করছেন। একইভাবে অনেকটা জাতীয় শ্লোগানে পরিণত হয়েছে, নো মাস্ক-নো সেবা বাক্যটিও। এই যখন সারাদেশের চিত্র, তখন কুমিল্লার এই সমৃদ্ধ জনপদের ইউনিয়ন পরিষদের প্রবেশ মুখে নো মাস্ক, নো এন্ট্রি লেখা ব্যানার ঝুলিয়ে রাখলেও ইউনিয়ন পরিষদের সেবাদানকারী বা সেবাগ্রহণকারীদের মাস্কবিহীন অবস্থায় অবাধে দেখা গেছে।

এবিষয়ে ভারেল্লা দক্ষিণ ইউপি চেয়ারম্যান শাহ কামালের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি হাইকোর্টে গিয়েছিলাম, দেখেছি হাইকোর্টে কেউ মাস্ক পড়েনা, বাংলাদেশে এখন আর কেউ মাস্ক পড়তে চায় না।

ইউটিউবে আমাদের চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুন: