মাহদী হাসানঃ উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষক প্রশিক্ষণ ইন্সটিটিউট (এইচএসটিটিআই) কুমিল্লার পরিচালক পদে নতুন নিয়োগ পেলেন অধ্যাপক রেহানা ইয়াসমিন । ৩০ মে বৃহস্পতিবার শিক্ষা মন্ত্রনালয় তাকে এই পদে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে।

এইচএসটিটিআই কুমিল্লার পরিচালক ড. মো: আতিকুল ইসলাম পাঠান এর স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডারের এই কর্মকর্তা। তিনি এর আগে সিরাজগঞ্জ সরকারি কলেজে ইতিহাস বিভাগে বিভাগীয় প্রধান হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের ১৪তম বিসিএস পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে মেধাক্রম ৬ষ্ঠ স্থান অর্জন করেন। তিনি ১৪ নভেম্বর, ১৯৯৩খ্রি: তারিখে বিসিএস শিক্ষা ক্যাডারে প্রভাষক হিসেবে যোগদান করেন। অধ্যাপক রেহানা ইয়াসমিন ২০০১ সালের জুলাই মাসে প্রভাষক থেকে সহকারি অধ্যাপক পদে , ২০০৫ সালের এপ্রিলে সহযোগি অধ্যাপক ও ২০ আগষ্ট ২০১৭ সালে অধ্যাপক পদে পদোন্নতি লাভ করেন। দীর্ঘ ২২ বছর তিনি কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজ ইতিহাস বিভাগে কর্মরত ছিলেন।

তিনি আগষ্ট ২০০৫ সাল থেকে ২০১৭ সালের ২০ আগষ্ট পর্যন্ত ভিক্টোরিয়া কলেজে ইতিহাস বিভাগীয় প্রধান ও এরপর ২০১৮ সালের জুলাই পর্যন্ত ইনসিটু অধ্যাপক হিসেবে বিভাগীয় প্রধানের দায়িত্বে কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে পুনরায় তিনি জুলাই ২০১৮ থেকে মে ২০১৯ পর্যন্ত সিরাজগঞ্জ সরকারি কলেজে ইতিহাস বিভাগে প্রধান হিসেবে দায়িত্ব সম্পাদন করেন।

অধ্যাপক রেহানা ইয়াসমিন জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ইতিহাস বিভাগ থেকে সম্মানসহ স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর ডিগ্রী অর্জন করেন। তিনি বেগম বদরুন্নেছা কলেজ এবং অগ্রণী স্কুলের ছাত্রী ছিলেন। ব্যাক্তিগত জীবনে তিনি বিবাহিতা ও দুই কন্যা সন্তানের জননী।

বর্ণাঢ্য জীবনের অধিকারী অধ্যাপক রেহানা ইয়াসমিন এর পিতা অর্থ মন্ত্রণালয়ের উপ সচিব ছিলেন। তাহার স্বামী এলজিইডি প্রধান কার্যালয়ে নির্বাহী প্রকৌশলী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। শ্বশুর এডব্লিউএম তোহা মিয়া চাঁদপুর সরকারি কলেজে অধ্যক্ষ ছিলেন। শাশুড়ি জাহানারা বেগম কুমিল্লা ফয়জুন্নেছা স্কুলে সহকারি প্রধান শিক্ষক ছিলেন।

জানা যায়, অধ্যাপক রেহানা ইয়াসমিন এর দাদার বাড়ি চাঁদপুর জেলার শাহরাস্তি উপজেলায় হলেও পিতার চাকরী সূত্রে ঢাকায় বেড়ে ওঠেন।

উল্লেখ্য, ৩০ মে বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ সরকারি কলেজ-২ শাখার উপ সচিব ড. শ্রীকান্তকুমার চন্দ স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এই বদলি আদেশ দেওয়া হয়।

ই- মেইলে ছবি আছে