নিজস্ব প্রতিবেদকঃ কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি প্রফেসর ড. আবু তাহের ও সাধারন সম্পাদক মেহেদী হাসানের বিরুদ্ধে মানহানি মামলা দায়ের করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. কাজী মো: কামাল উদ্দিন।

রোববার দুপুর কুমিল্লার ৯নং আমলী আদালতে প্যানেল কোট ৫০০ধারায় মামলাটি দায়ের করা হয়। আদালত অভিযোগ আমলে নিয়ে আগামী ২৮জানুয়ারি ২০১৮ সদর দক্ষিণ থানার অফিসার ইনচার্জকে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়ার নির্দেশ দেয়।

মামলার আইনজীবি এ্যাডভোকেট স্বর্নকমল নন্দী ডেইলিকুমিল্লানিউজকে বলেন, ড. দুলাল চন্দ্র নন্দী ২০১৫ সালে শিক্ষক সমিতির সভাপতি ও ড. কাজী মো: কামাল উদ্দিন ২০১৬ সালে শিক্ষক সমিতির সাধারন সম্পাদক নির্বাচিত হন। তাদের বিরুদ্ধে ত্রাণের টাকা উত্তোলনে শিক্ষকদের স্বাক্ষর জালিয়াতি ও শৃংখলা ভঙ্গের অভিযোগ আনা হয় যা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। শিক্ষক সমিতির গঠনতন্ত্র ১৪ (খ) কে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে ব্যক্তিগত আক্রোশ থেকে ড. দুলাল চন্দ্র নন্দী ও ড. কাজী মো: কামাল উদ্দিনকে সমিতি থেকে বহিস্কার করা হয় এবং তা প্রকাশ করতে (১৯ থেকে ২১ডিসেম্বর’১৭) বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রেসনোট পাঠানো হয়। যা দৈনিক ইত্তেফাকসহ বিভিন্ন অনলাইন ও প্রিন্ট মিডিয়ায় প্রকাশ করা হয়।

>>আরো পড়ুনঃ  অরক্ষিত কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস; নেই সীমানা প্রাচীর

মামলার আইনজীবি এ্যাডভোকেট স্বর্নকমল নন্দী বলেন, আমরা এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত স্বাপেক্ষে ন্যায় বিচার প্রত্যাশা করছি।

মামলায় সাক্ষী হিসেবে রয়েছেন, কুবি শিক্ষক সমিতির সাবেক সভাপতি ও আসবাবপত্র ক্রয় কমিটির আহ্বায়ক ড. দুলাল চন্দ্র নন্দী, কুবি ব্যবস্থাপনা শিক্ষা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক জি.এম আজমল আলী কাউছার, কুবি অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের সহকারী অধ্যাপক শুব্রত সাহা, ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. আকবর হোসেন, গণিত বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. শফিউল্লাহ, পরিসংখ্যান বিভাগের প্রভাষক মো. ফরহাদ হোসেন ও রসায়ন বিভাগের প্রভাষক মো. জুলহাস উদ্দিন।

ইউটিউবে আমাদের চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুন:

ভালো লাগলে শেয়ার করুনঃ