কুমিল্লার দেবিদ্বারে চাচার বাড়িতে পড়তে গিয়ে ধ’র্ষণের শিকার হয়েছেন এক কি’শোরী। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার সুবিল ইউপির সুবিল গ্রামের ফকির বাড়িতে।

ভু’ক্তভোগী কি’শোরী ছাত্রী স্থানীয় একটি মাদরাসার অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী এবং দেবিদ্বার উপজেলার চরবাকর গ্রামের বাসিন্দা।

এ ঘটনায় ভু’ক্তভোগী ছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে রোববার রাত সাড়ে ১১টার দিকে দেবিদ্বার থানায় মো. লিটন মিয়া নামে এক যুবককে আসামি করে নারী ও শিশু নি’র্যাতন দমন আইনে একটি মা’মলা করেছেন। পরে দেবিদ্বার থানার এসআই মো. রবিউল ইসলাম অভিযান চালিয়ে ধ’র্ষক লিটনকে গ্রেফ’তার করে। পরে সোমবার দুপরে তাকে কুমিল্লা জে’ল হাজতে প্রেরণ করা হয়।

পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ধ’র্ষণের কথা স্বীকার করেছে লিটন। মো. লিটন সুবিল গ্রামের ফকির বাড়ির আবদুল মান্নান মিয়ার ছেলে।

মামলার বিবরণে জানা যায়, লিটন ও মাদরাসা ছাত্রী আপন চাচাতো ভাই-বোন। এ সম্পর্কের কারণে ভু’ক্তভোগী ছাত্রীর বাবা চরবাকর গ্রাম থেকে সুবিল গ্রামে লিটনের বাড়িতে কয়েক মাসের জন্য থেকে পড়াশুনা করতে পাঠানো হয় ওই ছাত্রীকে। লিটন পড়ানোর ছলে ওই ছাত্রীকে বিয়ের প্রলোভনে ফুসলিয়ে বিভিন্ন সময়ে শারী’রিক সম্পর্ক গড়ে তোলে। এতে ওই ছাত্রী অ’ন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে লিটনের পরিবার ওই ছাত্রীকে কৃমিনাশক ওষুধ সেবনের কথা বলে গ’র্ভপাত ঘটায়। বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয়ভাবে মিমাংসায় বিয়ের কথা বললে পরে লিটনের পরিবার রাজি না হওয়ায় ভু’ক্তভোগী ছাত্রীর বাবা দেবিদ্বার থানায় একটি নারী ও শিশু নি’র্যাতন দমন আইনে একটি মামলা করেন।

এ ব্যাপারে মামলার বাদী ভু’ক্তভোগী ছাত্রীর বাবা বলেন, লিটন আমার ভাতিজা, সে আমার মেয়ের সঙ্গে খারাপ সম্পর্ক গড়ে তুলে। এতে আমার মেয়ে অ’ন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। দেবিদ্বার থানায় মা’মলা করেছি, আমি সুষ্ঠু বিচার চাই।

এ ব্যাপারে দেবিদ্বার থানার ওসি মো. জহিরুল আনোয়ার জানান, ধ’র্ষণের শিকার মাদরাসা ছাত্রীর বাবার লিখিত অভিযোগে লিটন নামে এক যুবককে আটক করা হয়েছে। পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে লিটন ধ’র্ষণের কথা স্বীকার করেছে। লিটনকে অ’ভিযুক্ত করে দেবিদ্বার থানায় একটি মামলা করেছে ওই ছাত্রীর বাবা। সোমবার লিটনকে আদালতের মাধ্যমে কুমিল্লা জে’ল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

সূত্রঃ ডেইলি বাংলাদেশ