করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে প্রয়োজন জনসমাগম বন্ধ রাখা। জেলা ও পুলিশ প্রশাসনসহ গণমাধ্যমের এমন প্রচার-প্রচারনায় কুমিল্লায় কমছে জনসমাগম-সচেতন হচ্ছে সাধারণ মানুষ। এমন ইতিবাচক পরিবর্তনে করোনা প্রতিরোধে আশার আলো দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

শনিবার কুমিল্লায় দিনভর নগরীর ব্যস্ততম কান্দিরপাড়, রাজগঞ্জ, মনোহরপুর চকবাজার এলাকাগুলো সাধারণ মানুষের উপস্থিতি ছিলো অন্য যে কোন দিনের চাইতে অনেক কম। খুব প্রয়োজন ছাড়া বাইরে বের হয়নি কেউ।

সরেজমিনে দুপুরে কান্দিরপাড় ,রাজগঞ্জ ও চকবাজার এলাকায় ঘুরে দেখা যায়, রাস্তার পাশে ভ্রাম্যমাণ ফল বিক্রেতারা অলসভাবে বসে আছেন। রিক্সা, সিএনজি চালিত অটোরিক্সার চালকরা অলসভাবে বসে আছেন। ক্রেতার অভাবে হাকডাক নেই ফুটপাতের ফেরীওয়ালাদের। চোখে পড়েনি হোটেলগুলোতে দুপুরে খেতে আসা লোকজনের ভীড়।

রাজগঞ্জ এলাকায় ফুটপাতের ভ্রাম্যমান ফল বিক্রেতা জসিম জানান,গতকাল শুক্রবার থেকে আজ শনিবার পর্যন্ত বিক্রি নেই বললেই চলে। আজ শনিবার ৮শ টাকার ফল বিক্রি করেছি। অন্যদিন গড়ে আড়াই হাজার থেকে ৩ হাজার টাকা বেঁচাকেনা হতো।

কান্দিরপাড় আমানিয়া হোটেলে যোগাযোগ করলে জানা যায়,অন্য যে কোন দিনের চাইতে ক্রেতা সমাগম কম ছিলো। রাজগঞ্জ কাঁচা বাজারেও অলস বসে থাকতে দেখা যায় খুচরা তরকারি বিক্রেতাদের।

শাসনগাছা,চকবাজার ও জাঙ্গালিয়ায় যেখানে যানবাহনের কারনে দিনভর যানজট লেগে থাকতো সাধারণ মানুষ ঘরে অবস্থানের কারনে বাসস্ট্যান্ডগুলো ফাঁকা ছিলো।

করোনা থেকে বাঁচতে সর্তকতা অবলম্বন জরুরি। আর সাধারণ মানুষজন ঘরে অবস্থান করার বিষয়টিকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন বিশিষ্ট ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব বদরুল হুদা জেনু। তিনি জানান,বাইরে সাধারণ মানুষের উপস্থিতি কম বিষয়টি অবশ্যই শুভ লক্ষন। আমরা সচেতন হলেই করোনা প্রতিরোধ সম্ভব।

সূত্রঃ আমাদের সময়