নিজস্ব প্রতিবেদকঃ নিখোঁজ জিডির সুত্র ধরে দেবপুর ফাঁড়ী পুলিশের চৌকস এসআই শাহিন কাদিরের তদন্তে বেরিয়ে বস্তাবন্দি লাশ। উন্নত প্রযুক্তি ব্যাবহার ও ফোন ট্রেকিং এর মাধ্যমে ফাঁড়ি পুলিশের গত ৫ দিনের নিরলস চেষ্টায় কুমিল্লা বুড়িচংয়ের মোকাম মনিপুর এলাকার পঞ্চাশোর্ধো নারায়ণ চন্দ্রের বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার হয় আজ ভোররাতে বরুড়া উপজেলার বড়হাতুয়া গ্রামের রাস্তার পাশের এককটি ঝোপ থেকে।

পরোকিয়া সম্পর্কের জেরে নারায়নের ৬ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ এর পর নারায়ন কে কৌশলে হত্যা করে লাশ গুমের চেষ্টা করে চান্দিনা উপজেলার পিহর গ্রামের হর গোবিন্দের মেয়ে উর্মিল্লা চক্রবর্তী (সুমা) (৩২) ও তার ভাই শংকর (২৮)।

দেবপুর ফাঁড়ী পুলিশের এসআই শাহিন কাদির জানায়, মোবাইল ট্রেকিং এর মাধ্যমে নিশ্চিত হয়ে সন্দেহভাজন আসামীদের ধরতে বিভিন্ন জায়গায় অভিযানের পর মোকাম এলাকা থেকে সুমা ও শংকর নামের দুজন কে আটক করা হয় গতকাল। ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে আজ শেষরাতের দিকে স্বীকার করলে তাদের নিয়ে লাশ উদ্ধারে রওনা হয়ে আসামীদের দেখানো এলাকার ঝোপ থেকে নিখোঁজ নারায়নের বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার করতে সক্ষম হই।

ইউটিউবে আমাদের চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুন: