স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলামের আপন মামাতো ভাই ও মনোহরগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবদুল কাইয়ুম চৌধুরীর বড় ভাই পোমগাঁও উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক মমতাজুল হক চৌধুরী (৮০) রোববার ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। (ইন্নালিল্লাহি…….. রাজেউন)।

সোমবার মরহুমের জানাযার নামাজ শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাপন করার পরপরই তার মেঝ ভাই মান্দারগাঁও উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক মো. কাসেম চৌধুরী (৭৫) ঢাকার আরেকটি হাসপাতালে দুপুর দেড়টায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন। (ইন্নালিল্লাহি…….. রাজেউন)।

মরহুম মমতাজুল হক চৌধুরীর জানাযা নামাযের পূর্বে মোবাইলের মাধ্যমে বক্তব্য রাখেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম। এছাড়াও দুই মামাতো ভাইয়ের মৃত্যুতে গভীর শোক ও শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর শোক প্রকাশ করেন তিনি। মৃত্যুকালে মরহুম মমতাজুল হক চৌধুরী স্ত্রী, দুই ছেলে, দুই মেয়েসহ বহু আত্মীয় স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। এছাড়াও মরহুম কাসেম চৌধুরী মৃত্যুকালে স্ত্রী, দুই ছেলে, এক মেয়েসহ বহু আত্মীয় স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

মরহুম কাসেম চৌধুরীর জানাযার নামাজ মঙ্গলবার মরহুমের নিজ বাড়ি মনোহরগঞ্জ উপজেলার বাইশগাঁও ইউনিয়নের ফুলপুকুরিয়া গ্রামের মান্দারগাঁও উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে সকাল ৯ টায় অনুষ্ঠিত হবে। মরহুম মমতাজুল হক চৌধুরী জানাযার নামাজের পূর্বে বক্তব্য রাখেন মরহুমের ছোট ভাই কুমিল্লা জেলা পরিষদের সদস্য ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মাষ্টার আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মো. আমিরুল ইসলাম সহ আরও অনেকে। জানাযার নামাজ পরিচালনা করেন মরহুমের ভাতিজা যমুনা ব্যাংক লিমিটেড এ কর্মরত রিদয়ান আহমেদ শিশির। জানাযার নামাজে বিভিন্ন প্রশাসনিক কর্মকর্তা-কর্মচারী, উপজেলা আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, সাংবাদিক ও এলাকার সর্বস্তরের মানুষ অংশ গ্রহণ করেন। পরপর দুই ভাইয়ের মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে।