মারুফ আহমেদঃ রাত পোহালেই শুরু হবে সনাতন ধর্মের সবচেয়ে বড় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা। সনাতন ধর্মাবলম্বীরা দারুণ ব্যস্ত পূজা-আয়োজন নিয়ে। এরই মধ্যে পূজার প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে ।

জানা যায়, সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সব চেয়ে বড় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা উৎসব। কুমিল্লা জেলার ১৭টি উপজেলায় এ বছর সর্বমোট ৭শ ৮৪টি পূজা মন্ডপ রয়েছে, কুমিল্লায় জেলা-উপজেলায় পূজা উদযাপন কমিটি রয়েছে। এসকল কমিটির হাত ধরেই প্রতিটি মন্ডপের জন্যই রয়েছে সরকারী অনুদান, রয়েছে প্রশাসনের বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

কুমিল্লা জেলার বরুড়া উপজেলার রামমোহন বাজারে অবস্থিত রামমোহন সার্বজনীন শ্রী শ্রী জগন্নাথ ধামে দুর্গাপূজা এবার ৫১ বছরে পদার্পণ করছে। বৈচিত্রময় ও শৈল্পিক আয়োজনের কারণে এরই মধ্যে এই পূজা উপজেলার সেরা পূজা হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেছে। শ্রী শ্রী জগন্নাথ ধামের সাধারণ সম্পাদক শ্রী মধু সুধন বণিক জানান শারদীয় দুর্গাউৎসব উপলক্ষে মহাঅষ্টমীর দিন সকালে আয়োজন করা হবে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা “ইচ্ছে আঁকো-২০১৯” এতে অত্র এলাকার প্রায় ২০০ জনের অধিক শিক্ষার্থী অংশ নিবে। এছাড়া ও মহানবমীর সন্ধ্যায় আয়োজন করা হয়েছে সংগীতা অনুষ্ঠান, ঢাকা ও কুমিল্লার শিল্পীদের নিয়ে আয়োজন করা হবে এই অনুষ্ঠান। রামমোহন সার্বজনীন শ্রী শ্রী জগন্নাথ ধামের সভাপতি শ্রী নারায়ণ চক্রবর্তী আরও জানান, মন্দিরে সব ধরনের নিরাপত্তা রয়েছে এজন্য এখানে প্রতিবছর পূজা শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয়। মন্দিরের চতুর্দিকে সিসি ক্যামেরা ছাড়াও রয়েছে পুলিশসহ প্রশাসনের সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা। কুমিল্লা জেলা পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি ও চান্দিনা উপজেলা চেয়ারম্যান তপন বক্সী জানান, কুমিল্লা জেলার ৭শ ৮৪টি পূজা মন্ডপেই সরকারের নির্ধারিত ৫শ কেজি চাউল বরাদ্ধ রয়েছে। অন্য বছরের তুলনায় এ বছর আরো কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে পূজা উদযাপন করা হবে। প্রশাসনের কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়েই দূর্গাপূজা উৎসব পালিত হবে। তিনি আরো বলেন, ধর্ম যার যার , রাষ্ট্র সবার। ধর্ম য়ার যার, উৎসব সবার।

কুমিল্লা জেলা পুলিশ সুপার সৈয়দ নুরুল ইসলাম বিপি এম (বার) পিপি এম জানান, আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা উৎসব উপলক্ষে জেলার প্রতিটি মন্ডপে মন্ডপে আইন শৃংখলা বাহিনীর নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। আমি আশা করছি এ জেলায় কোন প্রকার ঝামেলা ছাড়াই সুন্দর, শান্তিপূর্ন , উৎসব মূখর পরিবেশেই প্রতিমা বির্সজন সম্পন্ন হবে।