কুমিল্লার চান্দিনায় শিয়াল ছানা জবাই করে রান্না করার অপরাধে খোরশেদ আলম (৫০) নামে একজনকে ৬ মাসের কারাদণ্ড ও চার জনকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

রবিবার (৮ মার্চ) সন্ধ্যায় চান্দিনা উপজেলার বাড়েরা ইউনিয়নের রামচন্দ্রপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) স্নেহাশীষ দাশ ওই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন।

এ সময় একটি শিয়াল ছানার রান্না করা মাংস, অপর একটি শিয়াল ছানার কাচা মাংস উদ্ধার করে ভ্রাম্যমাণ আদালত। আরও ৫টি শিয়াল ছানাকে বনে অবমুক্ত করে ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।

ছয় মাসের দণ্ডপ্রাপ্ত খোরশেদ আলম রামচন্দ্রপুর (টাটেরা) গ্রামের মৃত সৈয়দ আলীর ছেলে। এছাড়া একই গ্রামের মৃত জোহর আলীর ছেলে ওবায়েদুল (৬৫) তার ভাই মফিজ (৫৫) কে ১০ হাজার টাকা করে ২০ হাজার এবং সিরাজুল ইসলাম এর ছেলে জাকির হোসেন (২৮)কে ৫ হাজার এবং মৃত আব্দুল লতিফ এর ছেলে মো. চারু মিয়াকে (৩০) পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট স্নেহাশীষ দাশ জানান, বাড়েরা ইউনিয়নের রামচন্দ্রপুর গ্রামের সংঘবদ্ধ ওই পাঁচজন মিলে বাঁশ বাগানের একই গর্ত থেকে সাতটি শিয়াল ছানা বাড়িতে এনে দুটি জবাই করে। পরবর্তীতে জবাই করার জন্য আরো পাঁচটি শিয়াল ছানা একটি ঝুড়িতে রেখে দেয়। খবর পেয়ে খোরশেদের ঘর থেকে রান্না করা ও কাঁচা মাংস উদ্ধার করি এবং ওবায়েদুল এর ঘর পাঁচটি শিয়াল ছানা উদ্ধার করে শিয়ালের ওই গর্তে অবমুক্ত করি।

খোঁজ নিয়ে জানতে পারি খোরশেদ আলম নিজ হাতে শিয়ালের দুটি ছানা জবাই করে এবং তার স্ত্রী রান্না করছিল। যার ফলে পশু নির্যাতন আইন ১৯২০-এর ৭ ধারায় খোরশেদ আলমকে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ঘটনার সাথে জড়িত থাকায় চার জনকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।