কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার কালিরবাজার ইউনিয়নের মনশাসন বেলতলী বাজারে শালিস বৈঠকে বিশৃংখলা ও ইউপি সদস্যর বাড়িতে হামলা ভাংচুরের ঘটনা ছিল পূর্ব-পরিকল্পিত ও ষড়যন্ত্রমূলক। আগামী ইউপি নির্বাচনকে সামনে স্থানীয় প্রতিপক্ষরা খাঁন গ্রুপের সাথে গোপন আতাঁত করে এ ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটিয়েছে বলে দাবি করেন কালিরবাজার ১ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য সফিকুল ইসলাম ।

বিজ্ঞাপন

এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও বিচার দাবি করে এক প্রতিবাদ লিপিতে মো.সফিকুল ইসলাম মেম্বার জানান, আমার পরিবার দীর্ঘ দিন ধরে কুমিল্লার নন্দিত জননেতা হাজী আ ক ম বাহাউদ্দিন বাহার এমপির রাজনীতির সাথে জড়িত। ১৯৯১ সালের জাতীয় নির্বাচন থেকে শুরু করে সকল নির্বাচনে ও রাজনৈতিক কর্মকান্ডে আমার পরিবারের সদস্যরা হাজী বাহার এমপি পক্ষে সক্রিয়ভাবে কাজ করে আসছে। যার কারণে বিগত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে এমপি বাহার আমাকে সমর্থন দেওয়ায় এলাকাবাসী আমাকে বিনা প্রতিদ্বন্ধিতায় নির্বাচিত করেন। প্রিয় নেতা হাজী বাহার এমপি’র সুদৃষ্টি থাকার কারণে আমার ছোট ভাই এড. রফিকুল ইসলামকে উপজেলা আওয়ামী লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক পদ দেন।

আমার ছেলে বিল্লাল হোসেন আমার পরিবারের আদর্শ লালন করে ইউনিয়ন যুবলীগের রাজনীতিতে সক্রিয় রয়েছে। আমাদের রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মকান্ডে ঈর্ষান্বিত হয়ে আমার পরিবারের প্রতিপক্ষরা আমাদের বিরূদ্ধে নানাভাবে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। বিশেষ করে ‘খান গ্রুপের’ গুটি কয়েক লোক যারা ২০০১ সালে ২০১৪ সালে হাজী বাহার এমপির বিরোধীতা করেছিল তারা আমাদের কর্মকান্ডের বিরোধিতা করছে। গত রমজানে তারা মনশাসনে ইফতার মাহফিলের নামে এলাকায় বিশৃংখলা করতে চাইলে আমরা প্রতিহত করে দেই । এতে তারা আমাদের প্রতি ক্ষুব্দ হয়ে ষড়যন্ত্র করতে থাকে। যার ধারাবাহিকতায় গত মঙ্গলবার মনশাসন গ্রামের আবদুল কাদেরের পুত্র আবুল কালামের নেতৃত্বে আবুল বাসার,মনির হোসেন, আবদুল হান্নান ও জয়নাল সহ অজ্ঞাতনামা ১০/১৫ ব্যাক্তি দা-চেনি সহ অস্ত্র-সস্ত্র নিয়ে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে সালিশ বৈঠকে বিশৃংখলা সৃষ্টি করে এবং আমার বাড়ি ঘরে হামলা-ভাংচুর করে। এলাকার বিভিন্ন পেশার মানুষ এ ন্যাক্কারজনক ঘটনার নিন্দা জানিয়ে বিচার দাবি করেছেন। তারা মানববন্দন করতে চাইলে দেশে করোনা সমস্যার কারণে আমি জনসমাগম এড়াতে এসব কর্মসূচি স্থগিত করেছি।

এছাড়া ‘ডেইলি কুমিল্লা নিউজ’,‘দৈনিক রূপসী বাংলা’ সহ কয়েকটি মিডিয়ায় আমার ছেলে বিল্লালকে জড়িতে স্থানীয় কিছু লোকের বরাত দিয়ে যে সব অভিযোগ এনেছেন তা মিথ্যা-বানোয়াট ও ষড়যন্ত্রমূলক বলে তিনি দাবী করেন সফিকুল ইসলাম মেম্বার। তিনি আরো বলেন স্থানীয় চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মো.সেকান্দর আলী সূষ্ঠ বিচার করে দেওয়ার আশ্বাসে এখনো আইনি পদক্ষেপ নেননি বলে জানান।

কালিরবাজার ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মো.সেকান্দর আলী জানান, মনশাসন বেলতলীতে সালিস বৈঠকে যে অনাকাংখিতভাবে ভুল বুঝাবুঝির কারণে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছে। বাহিরের কিছু লোক ইন্ধন দিয়ে আমাদের দলীয় ঐক্য নষ্ট করতে চাইছে। পুনরায় যেন মামলা-হামলা না হয় আমি উভয় পক্ষকে নিয়ে বসে বিষয়টি সুরাহা করার চেষ্টা করছি।

ইউটিউবে আমাদের চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুন: