ডেস্ক রিপোর্টঃ ড. মিজানুর রহমান আজহারী লাকসাম উপজেলার মুদাফফরগঞ্জ বাজারের দক্ষিণে চিকুনিয়া ঐতিহাসিক বালুর মাঠের ওয়াজ মাহফিলে উপস্থিত থাকার কথা থাকলেও তিনি তা করতে পারেন নি।

সোমবার বাদ যোহর এ মাহফিল আয়োজন করা হলেও নিরাপত্তা জনিত কারনে বক্তব্য রাখতে পারেন নি ড. মিজানুর রহমান আজহারী। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এ নিয়ে আলোচনা সমালোচনার সৃষ্টি হয়।

এদিকে কুমিল্লার মুরাদনগর পরমতলা গ্রামের কৃতি সন্তান মিজানুর রহমান আজহারী ২০০৪ সালে দাখিল পরীক্ষায় জিপিএ ৫ পেয়ে উত্তীর্ণ হন। ২০০৬ সালে আলিম পরীক্ষায় গোল্ডেন জিপিএ-৫ সহ বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষাবোর্ডের টপ মেরিট লিস্টে জায়গা করে নেন।

২০০৭ সালে ইসলামীক ফাউন্ডেশন কর্তৃক আয়োজিত মিশর সরকারের শিক্ষাবৃত্তি পরীক্ষায় তিনি হাজার হাজার কওমি ও আলিয়া মাদ্রাসার ছাত্রদের মধ্যে বরাবরের মত ১ম স্থান অধিকার করে মিশরের আল আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্ডার গ্রাজুয়েট করার জন্য মিশরে গমন করেন।

সেখান থেকে তিনি Department of Tafseer & Quranic Science হতে ২০১২ সালে ৮০% সিজিপিএ নিয়ে অনার্স উত্তীর্ণ হন।

মিশরে ৫ বছর শিক্ষাজীবন অতিবাহিত করার পর তিনি গার্ডেন অফ নলেজ খ্যাত মালয়েশিয়ার ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইউনিভার্সিটি থেকে পোস্টগ্রাজুয়েশন ও এমফিল এবং পিএইচডি করার সিদ্ধান্ত নেন।

২০১৩ সালে তিনি মালয়েশিয়া গমন করেন। উক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের Department of Quran and Sunnah Studies থেকে তিনি ২০১৬ সালের মধ্যে পোস্টগ্রাজুয়েশন এবং এমফিল শেষ করেন। মাস্টার্সে তার সিজিপিএ ছিল ৪ এর মধ্যে ৩.৮২।

এম ফিলে তার গবেষণার বিষয়বস্তু ছিল “Human Embryology in the Holy Quran: A comparative Analysis between Tantawi Jawhari & Zagloul Najjar’s interpretation. তারপর তিনি একই বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডি ক্যান্ডিডেট হিসেবে মনোনিত হন।

“Human Behavioural Characteristics in the Holy Quran: An Analytical Study” বিষয়ের উপর তিনি বর্তমানে পিএইচডি গবেষণা করছেন। উল্লেখ্য তার এমফিল এবং পিএইচডির গবেষণার মাধ্যম ছিল ইংরেজি। এছাড়াও IELTS পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ৯ এর মধ্যে ৭.৫ স্কোর এবং স্পিকিং সেকশনেও ৭.৫ স্কোর অর্জন করেন।