ডেস্ক রিপোর্টঃ কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) আবসিক হলগুলোতে সাপের উপদ্রুব কমছেই না। পাহাড়ি এলাকা হওয়ায় বিভিন্ন সময় ঢুকে পড়ছে সাপ। এ নিয়ে শিক্ষার্থীদের মাঝে আতঙ্ক বিরাজ করছে।

সর্বশেষ শুক্রবার (৬ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতেও বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত হলে একটি বিষাক্ত সাপ মারা হয়েছে। হলের উত্তর ব্লকের নীচতলায় ওয়াশরুমের পাশ দিয়ে ভেতরে প্রবেশের চেষ্টা করলে আতঙ্কিত শিক্ষার্থীরা সাপটিকে পিটিয়ে মেরে ফেলেন।

প্রত্যক্ষদর্শী ও পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী জাহিদ মোল্লা জানান, ‘রাত ১টার পরে আমি হাত-মুখ ধোয়ার জন্য ওয়াশরুমের দিকে গিয়ে দেখি জানালা গলে সাপটি ভেতরে আসার চেষ্টা করছে। সঙ্গে সঙ্গে অন্যদের ডাকি। প্রথমে একটি লাঠি দিয়ে গুঁতো দিলে সাপটি ভয়ঙ্করভাবে ছোবল তুলে ধেয়ে আসে আমাদের দিকে। পরে আমরা সাপটিকে মারতে বাধ্য হই।’

হলের একাধিক শিক্ষার্থী জানান, পাহাড়ঘেরা বন্য ক্যাম্পাস হওয়ায় প্রায়ই আবাসিক হলে বিষাক্ত সাপ দেখা যায়। অনেক সময় ওয়াশরুম-বাথরুম ব্যবহার করতে গিয়ে আতঙ্কে থাকতে হয়। ভয়ে রাতে আমরা ঠিকমতো ঘুমাতে পারি না। প্রশাসন সাপের কথা জেনেও উপদ্রব ঠেকাতে কার্বলিক এসিড বা এ জাতীয় কোনো প্রতিরোধ ব্যবস্থা নিচ্ছে না। এতে যেকোনো সময় বিপদ ঘটতে পারে।

এ ব্যাপারে শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত হলের প্রাধ্যক্ষ ড. মোহাম্মদ জুলহাস মিয়া বলেন, ‘সাপের উপদ্রবের বিষয়টি জানি। খুব শিগগিরই হলের বিভিন্ন স্থানে কার্বলিক এসিড দেয়া হবে। হল পাহাড়ঘেরা হওয়ায় শিক্ষার্থীদেরও সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরি।’