ডেস্ক রিপোর্টঃ ৪৮ তম গ্রীষ্মকালীন জাতীয় স্কুল, মাদ্রাসা ও কারিগরী শিক্ষা ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ২০১৯ এর সমাপনী ও পুরষ্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার কুমিল্লার জিলা স্কুল মাঠে ক্রীড়া প্রতিযোগিতার সমাপনী ও পুরষ্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এড. আমিনুল ইসলাম টুটুল।

বক্তব্যে তিনি বলেন, খেলাধুলা শিক্ষার একটি অংশ। আমাদের অনেক কোমলমতি শিক্ষার্থী আছে যাদের মাঝে বিভিন্ন সুপ্ত প্রতিভা রয়েছে। আমাদের উচিত তাদের গুনকে কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে। তিনি আরো বলেন, বই পড়ার পাশাপাশি ক্রীড়ার দিকে মনোযোগী হতে হবে। ক্রীড়ায় ছেলেদের পাশাপাশি মেয়েরাও পিছিয়ে নেই। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মেয়েদেরকে ক্রীড়ায় এগিয়ে নিতে ব্যাপক কর্মকান্ড হাতে নিয়েছে। শিক্ষার্থীদের আগ্রহ সৃষ্টিতে অভিভাবকদেরকেও দায়িত্ব নিতে হবে।

>>আরো পড়ুনঃ  ফ্রিডম পার্টির ক্যাডার থেকে যুবলীগ নেতা খালেদ, বাড়ি কুমিল্লার বরুড়ায়

কুমিল্লা জিলা স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা রাশেদা আক্তারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন, সদর উপজেলা পরিষদের মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. ইকবার হোসেন। উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ জাতীয় স্কুল, মাদ্রাসা ও কারিগরী শিক্ষা ক্রীড়া সমিতি, কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ সদস্য বৃন্দ।

এর আগে, ফুটবল প্রতিযোগিতায় ছাত্রদের মধ্যে ইটাল্লা ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসাকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বিবির বাজার উচ্চবিদ্যালয়। ছাত্রীদের মধ্যে পুলিশ লাইন উচ্চবিদ্যালয়কে হারিয়ে সংরাইশ সালেহা বালিকা উচ্চবিদ্যালয় চ্যাম্পিয়ন হয়। হ্যান্ডবল প্রতিযোগিতায় ছাত্রদের মধ্যে কুমিল্লা জিলা স্কুলকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ইস্পাহানী পাবলিক স্কুল ইন্ড কলেজ, ছাত্রীদের মধ্যে নবাব ফয়জুন্নেছা সরকারী বালিকা উচ্চবিদ্যালয়কে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ইস্পাহানী পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ। কাবাডি প্রতিযোগিতায় ছাত্রদের মধ্যে কুমিল্লা কালেক্টরেট স্কুল এন্ড কলেজকে হারিয়ে কুমিল্লা মডার্ণ হাই স্কুল চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। ছাত্রীদের মধ্যে কুমিল্লা হাই স্কুলকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে কুমিল্লা মডার্ণ হাই স্কুল। উপজেলায় শ্রেষ্ঠ ক্রীড়া শিক্ষক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন আমড়াতলী দাখিল মাদ্রাসার ক্রীড়া শিক্ষক মো. জাবের হাছান ভূঁইয়া। এছাড়াও সাঁতারসহ ১৫ প্রাতযোগিতায় শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন।