ফাইল ছবি

ডেস্ক রিপোর্টঃ কুমিল্লার চান্দিনায় মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলোতে পরীক্ষায় অতিরিক্ত ফি আদায়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

রবিবার (২৩ জুন) থেকে অনুষ্ঠিত পরীক্ষায় উপজেলা সদরের চান্দিনা ডা. ফিরোজা পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, চান্দিনা সরকারি মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়, হারং উচ্চ বিদ্যালয় ও বড়গোবিন্দপুর আলী মিয়া ভূইয়া উচ্চ বিদ্যালয়সহ বেশ কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অতিরিক্ত পরীক্ষা ফি আদায় করা হয়েছে।

জানা গেছে, চান্দিনা ডা. ফিরোজা পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে অষ্টম থেকে দশম শ্রেণির ছাত্রীদের কাছ থেকে পরীক্ষার ফি বাবদ পাঁচশ টাকা নেওয়া হয়েছে যা উপজেলায় সর্বোচ্চ। ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণির ছাত্রীদের কাছ থেকে নেওয়া হয়েছে চারশ টাকা।

এদিকে, উপজেলা সদরের সদ্য সরকারি অন্তর্ভুক্ত হওয়া চান্দিনা সরকারি মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত ছাত্র-ছাত্রীদের কাছ থেকে ঢালাও ভাবে চারশ টাকা করে ফি আদায় করা হচ্ছে। এছাড়া পৌর এলাকার হারং উচ্চ বিদ্যালয় ও বড়গোবিন্দপুর আলী মিয়া ভূইয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৩৫০ টাকা এবং নবম ও দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে চারশ টাকা করে পরীক্ষার ফি আদায় করা হচ্ছে।

উপজেলার অম্বরপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে নবম-দশম শ্রেণিতে চারশ টাকা, অষ্টম শ্রেণিতে সাড়ে তিনশ, ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণিতে তিনশ টাকা করে ফি আদায় করা হয়। যা অন্য বিদ্যালয়ের তুলনায় বেশি।

উপজেলার মাধাইয়া বাজার ছাদিম উচ্চ বিদ্যালয়, এএফএম উচ্চ বিদ্যালয়, বাড়েরা উচ্চ বিদ্যালয়, চিলোড়া পূর্ব অম্বরপুর কারিগরি উচ্চ বিদ্যালয়, ভোমরকান্দি ও মহিচাইল উচ্চ বিদ্যালয়সহ, অধিকাংশ স্কুলে শ্রেণি ভিত্তিক দুইশ থেকে সর্বোচ্চ তিনশ টাকা পরীক্ষার আদায় করা হয়েছে।

বড়গোবিন্দপুর আলী মিয়া ভূইয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা জাহানারা নাছরিন জানান, এ বছর আমরা ৫০ টাকা করে ফি বৃদ্ধি করেছি। পরিচালনা পর্ষদের সভায় ওই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

চান্দিনা সরকারি মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ এমদাদুল হক বলেন, ‘এ বছর আমরা শুধু ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত পরীক্ষার ফি ৫০ টাকা করে বাড়িয়েছি।’

চান্দিনা ডা. ফিরোজা পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা সুমিতা দাস জানান, এবছর কাগজের দাম বেড়েছে, আমাদের প্রতিষ্ঠানের মাল্টিমিডিয়াসহ অন্য খরচের ব্যাপার রয়েছে। আর এই ফি গত বছর থেকেই নেওয়া হচ্ছে।

এ ব্যাপারে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার বলেন, পরীক্ষার ফি সম্পর্কে প্রতিষ্ঠান গুলো আমাদের কিছুই জানায় না। খোঁজ নিয়ে পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

চান্দিনা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করে হলে যোগাযোগ করা যায়নি।

সূত্রঃ ইত্তেফাক