মোঃ জুয়েল রানাঃ কুমিল্লা তিতাস উপজেলার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মাছিমপুর আর আর ইনস্টিটিউশনের সাবেক সহকারি শিক্ষক মোঃ কবির আহমেদ মাস্টারকে সমাজে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য এক শ্রেণির কুচক্রী মহল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে আজেবাজে লিখে অপপ্রচার করে সম্মানহানির চেষ্টা করছে।

কবির আহমেদ উপজেলার ৫নং কলাকান্দি ইউনিয়নের মাছিমপুর গ্রামের কৃতি সন্তান। তিনি একজন সৎ ও ভদ্র মানুষ। এছাড়াও তিনি একজন সমাজ সেবক। তাহার চলাফেরাও নিরীহ টাইপের। কিন্তু তাকে সমাজে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য এক শ্রেণির কিছু হিংসুটে লোক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে কয়েকটি ফেক আইডি দিয়ে সাংবাদিক হালিম সৈকতকে জড়িয়ে কবির আহমেদের সম্পর্কে আজেবাজে লিখে তাঁর সম্মানহানির চেষ্টা করছে একদল কুচক্রী মহল। প্রকৃতপক্ষে সাংবাদিক হালিম সৈকত ও কবির আহমেদ এর সাথে রয়েছে সু-সম্পর্ক। তাঁদের এই সম্পর্কে ফাটল ধরানোর চেষ্টায় বিভিন্ন ফেক আইডির মাধ্যমে সম্পর্কে চির ধরানোর চেষ্টা করা হয়েছে।

যে সব ফেক আইডি দিয়ে সম্মানহানির চেষ্টা করা হচ্ছে তা হলো ‘ধ্রুব আলোক ও আলোচনা সমালোচনা’। আলোচনা সমালোচনা আইডিতে কবির স্যার সম্পর্কে ডাহা মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য পরিবেশন করা হয়েছে।

এ বিষয়ে কবির আহমেদ বলেন, একটা কথা আছে আল্লাহ যাকে ইজ্জত দেন, তাকে কেউ বেইজ্জত করতে পারেন না। তেমনি আমার সম্মান ও ইজ্জত আল্লাহ ছাড়া কেউ চেষ্টা করলেও নষ্ট করতে পারবে না ইনশাআল্লাহ। তবে যে বা যারা আমার নামে প্রতিহিংসা মূলক অপপ্রচার করছে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

কবির আহমেদ একজন নরম মনের মানুষ। তিনি একজন মানুষ গড়ার কারিগর। উচ্চতর ডিগ্রী অর্জন করে শিক্ষকতা পেশায় আসেন। শুরুতে তিনি ঢাকার শেখদী আবদুল্লাহ মোল্লা জুনিয়র হাইস্কুলের প্রতিষ্ঠাতা প্রধান শিক্ষক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। পরে মাছিমপুর আর আর ইনস্টিটিউশনের সহকারি শিক্ষক হিসেবে যোদান করেন। অত্যন্ত সুনামের সাথে স্কুল হতে অবসর গ্রহণ করেছেন। তাঁর তিন কন্যা, তিনজনই শিক্ষক। বড় মেয়ে রিতা উপজেলার গাজীপুর খান স্কুল এন্ড কলেজের ইংরেজির প্রভাষক, মেজ মেয়ে শোভা একটি বেসরকারি হাইস্কুলের সহকারি শিক্ষক ছিলেন সাংসারিক কারণে তিনি চাকরি ছেড়ে দিয়েছেন। ছোট মেয়ে তাহমিনা দড়িমাছিমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একজন সহকারি শিক্ষক। বলা যায় উনার পরিবারের সবাই মানুষ গড়ার কারিগর (শিক্ষক)। তিনি একজন সমাজ সেবক ও ঐতিহ্যবাহী সামাজিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ফ্রেন্ডস ক্লাবের উপদেষ্টা। ১৯৯৪ সালে তাহার নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মাছিমপুর আর আর ইনস্টিটিউশন এর নির্বাচিত অভিভাবক সদস্যও ছিলেন।