কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে করোনা ভাইরাসের প্রভাব মোকাবেলায় চলমান লকডাউন থাকায় কর্মহীন হয়ে পড়ছে লাখ লাখ সাধারণ মানুষ । এছাড়া ও এনজিওর কাছ থেকে ঋন নিয়ে এক শ্রেণির দরিদ্র পরিবারও রয়েছে বিপাকে। নাঙ্গলকোট উপজেলাতে অসংখ্য এনজিও প্রতিষ্ঠান থাকলেও করোনার প্রভাবে কর্মহীন হয়ে পড়া এসব ঋন গ্রহিতাদের পাশে নেই তারা। এতে খাদ্য সংকটে রয়েছে দরিদ্র পরিবারের সদস্যরা । পাশাপাশি রয়েছে জীবানুনাশক সামগ্রীর সংকটে ।

বিজ্ঞাপন

এখন দু:সময় তাদের পাশে নেই কোন এনজিও প্রতিষ্ঠান।

সারা বছর দরিদ্র শ্রেণীর মানুষের দরিদ্রতাকে কাজে লাগিয়ে বাড়ীতে বাড়ীতে গিয়ে ঋনের কার্যক্রম পরিচালনা করলেও এখন চলমান লকডাউন থাকায় অসহায় মানুষদের পাশে নেই তারা। ঋন গ্রহীতা কেশতলা গ্রামের শ্রমিক শাহাজাহান বলেন, বেসরকারি এনজিও ব্র্যাক থেকে গত দশ বছর ধরে ঋন গ্রহন করেছি। সময় মত তাদের কিস্তির টাকাও দিয়েছে। কিন্ত গত ১৫ দিন আগে ব্র্যাক অফিস থেকে ফোন দিয়ে বলেছে- সাহাস্য করবে। কিন্ত এখনো কোন সাহাস্য করেনি।

মোটরগাড়ি মেরামত কারী দৈয়ারা গ্রামের আমির হোসেন বলেন- ভার্ক এনজিও থেকে ঋন নিয়েছি। তাদের কিস্তির টাকাও দিয়েছি। কিন্ত তারা কোন সহযোগীতা করেনি । লকডাউন থাকায় আয় রুজি বন্ধ হয়ে গেছে। কাঠালিয়া দৈয়ারা গ্রামের মাইন উদ্দিন নামের আরেক শ্রমিক বলেন- ব্যাুরো এনজিওর কাছ থেকে ঋন নিয়েছে। সময়মত ঋন পরিশোধ করেছি। তিনি রিক্সা চালিয়ে কোন রকম জীবন যাপন করতে হচ্ছে। এছাড়া ও আরও অনেকেই বলেন- এই মূহর্তে আমাদের খাদ্য সামগ্রীর প্রয়োজন।

সরকার ও বৃত্তবানদের দেয়া ত্রান সাগ্রমী স্বল্প পরিসরে বিতরন করলে ও তারা তেমন সুবিধা পাননি । কর্মহীন হয়ে পড়ায় মানবেতর জীবন যাপন করতে হচ্ছে তাদের। এখন এনজিও প্রতিষ্ঠান গুলোর নৈতিক দায়িত্ব যাদের কাছ থেকে সারা বছর ধরে সুদের টাকা নিয়েছে । এখন যেন তাদের পাশে দাড়ান। কিন্তু এনজিওর লোকজনকে এখন আর দেখা যাচ্ছে না। কোন কোন অফিসে তালা ঝুলতে দেখা যায়। লকডাউন প্রত্যাহার করার পর ঠিকে এনজিও কর্মীরা বাড়ীতে বাড়ীতে গিয়ে ঋনের টাকার জন্য হানা দিবে। সোমবার উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা শামীমা আক্তার বলেন- সরকারি ভাবে ৫৩ মেট্রিকটন চাউল বিতরন করা হয়েছে।