কুমিল্লা বুড়িচং উপজেলার আবিদপুর গ্রামে জমি থেকে লাউ পেরে নিতে বাধা দেওয়ায় প্রতিপক্ষ সন্ত্রাসীরা পুরো ফলন্ত লাউ ক্ষেত কেটে সাবার করে দিয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে বুধবার গভীর রাতে উপজেলার মোকাম ইউনিয়নের আবিদপুর গ্রামে এতে প্রায় লাউ ক্ষেতের মালিকের ২ লাখ ৫০ হাজার টাকার ক্ষতি সাধিত হয়েছে। খবর পেয়ে বুধবার সকালে বুড়িচং থানার দেবপুর ফাঁড়ি পুলিশের এসআই নন্দন চন্দ্র সরকার সঙ্গীয় ফোর্স ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

মামলার বিবরণে জানা যায় জেলার বুড়িচং উপজেলার মোকাম ইউনিয়নের আবিদপুর গ্রামের মোঃ আলী আশ্রাফের ভাতিজা মৃত- সৈয়দ আলীর ছেলে মোঃ শামসুল হক নাহিদ ২৪ শতক জমিতে এ বছর লাউ চাষ করে। বর্তমানে পুরো জমিতে লাউয়ের বাম্পার ফলন হয়। এ সুযোগে স্থানীয় সন্ত্রাসী সিদ্দিকুর রহমানের বাড়ির জয়নাল আবেদীন এর ছেলে মোঃ মামুন মিয়া (২৫) বিভিন্ন সময় লাউয়ের গাছ থেকে লাউ পেরে নিয়ে যায়। বেশ কয়েকদিন লাউ পেরে নিয়ে যাওয়ার পর হাজী আলী আশ্রাফ ও তার ভাতিজা জমির মালিক মোঃ শামসুল হক নাহিদ এ বিষয়ে মোঃ মামুন মিয়াকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তাদের উপর সে ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে। এরপর শামসুল হক নাহিদ ও তার চাচা হাজী আলী আশ্রাফকে পুরো জমির ক্ষেত কেটে ফেলার এবং তারা দুইজনকে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি ধমকি ও ভয় ভীতি প্রদর্শন করে। এ ঘটনার জের ধরে মঙ্গলবার দিবাগত গভীর রাতে মামুন সহ চার পাঁচজন লাউ ক্ষেতে প্রবেশ করে কুপিয়ে সমস্ত লাউ গাছ কেটে ফেলে।

এই ঘটনার খবর পেয়ে হাজী আলী আশ্রাফ ও তার ভাতিজা শামসুল হক নাহিদ জমিতে গিয়ে ঘটনার সত্যতা দেখে। পরে বুড়িচং থানার দেবপুর ফাঁড়ির পুলিশকে জানালে পুলিশ ফাঁড়ির এস আই নন্দন চন্দ্র সরকার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। আলী আশ্রাফ ও তার ভাতিজা নাহিদ অভিযোগ করে বলেন আমার ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ২ লক্ষ ৫০ প াশ হাজার টাকা হবে। আমার সমস্ত আশা ও স্বপ্ন সন্ত্রাসীরা চুরমার ও ধূলিসাৎ করে দিয়েছে।

এব্যাপারে পুলিশ ফাঁড়ির এস আই নন্দন চন্দ্র সরকার জানান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। এ বিষয়ে তদন্ত চলছে। অপরাধিদেরকে দ্রুত সময়ের মধ্য আইনের আওতায় আনা হবে এবং পুলিশী অভিযান অব্যহত রয়েছে।