মুরাদনগর (কুমিল্লা) সংবাদদাতাঃ কুমিল্লা মুরাদনগর উপজেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক মোল্লা মজিবুল হক, কুমিল্লা উত্তর জেলা যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি নজরুল ইসলামসহ মুরাদনগর উপজেলার ৩১ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে সরকারী গুরুত্ব পূর্ণ স্থাপনা, সড়ক-মহাসড়কে প্রতিবন্ধকতা ও নাশকতার করার চেষ্ঠার অভিযোগে বিশেষ ক্ষমতা আইনে একটি মামলা দায়ের করেছে মুরাদনগর থানা পুলিশ। এমামলায় ৩ জনকে আটক করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার দুপুরে মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেন মুরাদনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একেএম মনজুর আলম।

আটককৃতরা হলেন, মুরাদনগর উপজেলা যুবদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক মাসুদ রানা, উপজেলা সেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম-আহ্বায়ক এনামুল হক, সেচ্ছাসেবক দলের নেতা ও কায়কোবাদ ফোরাম অনলাইনের সহ-সভাপতি বিল্লাল হেসেন।

মামলায় উল্লেক্ষযোগ্য আসামিরা হলেন, উপজেলা বিএনপির নেতা তকদির হোসেন, ওমর আলী, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মাহমুদুল হাছান, মাসুম মুন্সি, আলাউদ্দিন, স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম-আহ্বায়ক হেদায়েত হোসেন, স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা জুবায়ের হোসেন, মনির হোসেন, জুয়েল, রব্বানী প্রমুখ।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত বুধবার রাতে উপজেলা সদরের উত্তর পাড়া যুবদল নেতা মাসুদ রানার বাড়িতে নাশকতার পরিকল্পনা করছে এমন সংবাদের বিত্তিতে মুরাদনগর থানার পুলিশ উপ-পরিদর্শক (এসআই) রোকন ও হানিফের নেতৃত্বে একদল পুলিশ বুধবার রাত সাড়ে ৮টায় সেখানে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে। আটকের পর মাসুদ রানা অসুস্থ হয়ে পরলে চিকিৎসার জন্য মুরাদনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে(কুমেক) প্রেরন করে। এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে নাশকতার অভিযোগে ২১ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনা আরো ১০ জনের নামে একটি মামলা করে।

মুরাদনগর থানার অফিসার ইনচার্জ একেএম মনজুর আলম বলেন, আটকৃত মাসুদ রানার বিরুদ্ধে এক ডজন ও এনামুল হকের বিরুদ্ধে ৭টি বিস্ফোরক ও নাশকতার মামলা রয়েছে এবং এসআই কবির হোসেন বাদী হয়ে বিশেষ ক্ষমতা আইনে একটি মামলা করেছে। আটককৃতদের বৃহস্পতিবার বিকেলে কুমিল্লা জেল হাজতে প্রেরন করা হয়েছে।