কুমিল্লার দেবিদ্বারে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে শাকিল নামে এক কিশোরকে ছু’রিকাঘাতে হ’ত্যার ঘটনায় জড়িত আরিফুল ইসলামকে গ্রে’ফতার করেছে পুলিশ।

আরিফকে আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ওসি মো. জহিরুল আনোয়ার।

তিনি জানান, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় পুলিশের একটি টিম চার ঘণ্টার মধ্যে ঢাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে। আরিফ পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে কিশোর শাকিল হ’ত্যাকাণ্ডে জড়িত বলে স্বীকার করেছে।

আটক আরিফুল ইসলাম নি’হত শাকিল হ’ত্যা মামলার প্রধান আ’সামি। উপজেলার ধামতী গ্রামের মিস্ত্রিবাড়ীর রফিকুল ইসলামের ছেলে। আরিফসহ তার আরো এক ভাই ও বোন শাকিল হ’ত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত বলে নিশ্চিত করেছে পুলিশ।

নিহত শাকিল দেবিদ্বার উপজেলার এলাহাবাদ ইউপির খয়রাবাদ গ্রামের তাজুল ইসলামের ছেলে। সে নানার বাড়ি রাধানগর গ্রামের থেকে হকারী করে খেলনা সামগ্রী বিক্রি করতো। এ ঘটনায় শরীফ মিয়াজী, সোহাগ মিয়াজী, আল-আমিনকে ও খোরশেদ নামে আরো চারজন গুরুতর আ’হত হয়েছেন। আ’হত সবাই রাধানগর এলাকার বাসিন্দা।

ওসি মো. জহিরুল আনোয়ারের পরিচালনায় পুলিশের একটি টিম তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে ঘা’তক আরিফকে ঢাকার ডেমরা এলাকায় অভিযান চালিয়ে আটক করা হয়।

এর আগে মঙ্গলবার দুপুরে পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে দেবিদ্বার থানায় একটি হ’ত্যা মামলা দায়ের করেন নি’হত শাকিলের মা হাসনেয়ারা বেগম। আরিফ ছাড়াও মামলার অন্য আ’সামিরা হলেন, আরিফের ভাই মো. জহিরুল ইসলাম বোন ফাতেমা আক্তার এবং একই এলাকার মান্নান চৌধুরীর ছেলে সোলেমান চৌধুরী ও নাদিম চৌধুরীর ছেলে মো. সানাউল হক।

ওসি মো.জহিরুল আনোয়ার বলেন, পুলিশের অভিযানে ঘা’তক আরিফকে ঢাকার ডেমরা থেকে আটক করা হয়েছে। সে হ’ত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত বলে পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছে। অন্য আ’সামিদের গ্রে’ফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

ধামতী গ্রামের একটি মাহফিলে চটপুটি খাওয়াকে কেন্দ্র করে শরীফ মিয়াজীর সঙ্গে বাকবি’তণ্ডা ও হাতাহাতি হয় আরিফের। তখন উপস্থিত লোকজন তাদের হাতাহাতি মিটিয়ে দেন। সোমবার শরীফ পিকআপ নিয়ে আরিফের বাড়ির পাশে আসলে পূর্বের হাতাহাতির সূত্র ধরে আরিফ ও সানাউল শরীফ মিয়াজীকে মারধর করে।

পরে শরীফ মিয়াজী শাকিল, আল আমিন, বিল্লাল হোসেনকে ফোনে মারধরের কথা জানালে শাকিলরা ঘটনাস্থলে আসলে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে আরিফ তার পেন্টের পকেট থেকে ছু’রি বের করে শাকিলের বুকে আঘা’ত করে। এতে ঘটনাস্থলেই শাকিল মা’রা যায়।