কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের অবহেলিত জনপদ হিসেবে পরিচিত পূর্বা লের জনগনের জন্য আর্শিবাদ হয়ে আসছে আগামী ১৫ ডিসেম্বর। এদিন তেলিকোনা চৌমহনী এলাকায় উদ্ধোধন করা হবে দৃষ্টি নন্দন এক উদ্যান। নতুন এ উদ্যানের আনন্দ উপভোগ করবেন নগরীর অর্ধলক্ষের বেশি নাগরিক। সিটি মেয়র নিজের ব্যক্তিগত তহবিল থেকে প্রায় অর্ধ কোটি টাকা ব্যায়ে এ পার্ক নির্মাণ করছেন অবহেলিত ও বিনোদন বি ত অত্র এলাকার মানুষদের জন্য। এই এলাকার মানুষের বিনোদনের ক্ষুধা মেটাবে নতুন এই উদ্যান এমনটিই আশা করছেন নগরীর পূর্বা লের মানুষগণ। ভিন্নরকম এই বিনোদন কেন্দ্রটির জায়গার মালিক অবশ্য কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনই।

কুসিক মেয়র মনিরুল হক সাক্কু বলেন, আমি আমার ফ্ল্যাট বিক্রি করে নতুন এই পার্কের টাকা জোগাড় করেছি। আমার নগরীর ১৫, ১৬, ১৭, ১৮নং ওয়ার্ডের তেলিকোনা, শুভপুর, সংরাইশ, টিক্কারচড়, বালুধুম, কাটাবিল, কাশারি পট্টি, চকবাজার, পাথরিয়াপাড়া, বারপাড়া, নূরপুর, হাউজিং ও কাছাকাছি এলাকাসহ নগরবাসীর জন্য এ বিনোদন কেন্দ্র তৈরি করা হচ্ছে। এসব এলাকার নাগরিকদের বিনোদনের কোন জায়গা নেই। তারা যদি ধর্মসাগর পাড়ে আসতে চায় তাও অনেক ব্যয় বহুল। এই এলাকা গুলোতে তুলনামূলক গরীব মানুষ বেশি। তাছাড়া সুইপার শ্রেণির ছেলে মেয়ে গুলোর জন্য তেমন কোন বিনোদনের জায়গা নেই। আমরা এই পার্কটি করতে পারলে তাদের জন্য বিশেষ গুরুত্ব্ থাকবে। ঢেকি, কাঠের ঘোড়া, স্লিপার, দোলনাসহ অবৈদ্যুতিক সকল রাইড থাকবে যেগুলোর প্রত্যেকটি হবে বিনামূল্যে। তিনি আরও বলেন, আমরা আশা করছি ১৫ ডিসেম্বর পার্কটি উদ্বোধন করবো।

শুভপুর এলাকার বাসিন্দা মোহাম্মাদ শাহীন বলেন, নগরীর পূর্বা ল কিছুটা ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা। সময় হাতে থাকলে টাকা থাকে না, টাকা থাকলে সময় থাকে না এখান থেকে ধর্মসাগরের পাড়ে যাওয়ার। যদি তেলিকোনা এলাকায় পার্ক হয়, এলাকাবাসীর উপকার হবে।

১৮নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মো. আফসান মিয়া বলেন, এখানের মানুষদের দীর্ঘদিনের দাবি ছিলো একটি পার্ক তৈরি। পৌরসভা থাকাকালীন আমরা চেয়েছিলাম একটি বিনোদন কেন্দ্র হোক। আমরা গত ৩০বছর যাবত এখানে একটি বিনোদন কেন্দ্রর দাবি করে আসছিলাম। এবার আমাদের ইচ্ছা পূরণ হচ্ছে। এখন মেয়র সাহেব পার্ক তৈরির কাজে হাত দিয়েছেন। প্রতিদিন হাজারো মানুষের পদচারণা থাকবে নতুন পার্কে।

ইউটিউবে আমাদের চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুন: