কুমিল্লার দেবিদ্বারে অন্যের স্ত্রীকে ‘ভাগিয়ে নিয়ে’ পালানোর অভিযোগ উঠেছে এক ইমামের বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার রাতে ওই উপজেলার গুনাইঘর উত্তর ইউনিয়নের বাকসার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় শুক্রবার সকালে দেবিদ্বার থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন ওই নারীর স্বামী ও তিন সন্তানের জনক মো. আলাউদ্দিন। অভিযুক্ত মাওলানা মো. ফয়সাল আহমেদ কাউসারী মুরাদনগর উপজেলার কলেজপাড়ার বাসিন্দা। তিনিও তিন সন্তানের জনক।

জানা গেছে, মাওলানা মো. ফয়সাল আহমেদ কাউসারী দেড় বছর আগে বাকসার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের ইমাম হিসেবে নিয়োগ পান। ওই সূত্রে তিনি বাকসার বাজারের ব্যবসায়ী মো. আলাউদ্দিনের বাসায় যাতায়াতের পাশাপাশি তার তিন বাচ্চাকে নিয়মিত আরবি পড়াতেন। এক পর্যায়ে আলাউদ্দিনের স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন। বৃহস্পতিবার রাতে ওই নারী ঘর থেকে টাকা ও স্বর্ণলংকারসহ ১০-১২ লাখ টাকার মালামাল নিয়ে মাওলানা ফয়সালের সঙ্গে পালিয়ে যান।

ব্যবসায়ী আলাউদ্দিনের ছোট ভাই মো. হেলাল উদ্দিন বলেন, ঘটনার পর থেকে আমার বড় ভাই অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। তার সঙ্গে কথা বলার কোনো অবস্থা নেই।

তিনি আরো বলেন, হজুর বাসায় এসে আমার ভাতিজি ও ভাতিজাকে কোরআন পড়াত। আমরা কখনোই সন্দেহ করিনি। অনেক খোঁজাখুজি করেও আমার ভাবি ও ফয়সাল হুজুরের কোনো সন্ধান পাইনি।

বাকসার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের সভাপতি মো. আতিকুর রহমান বলেন, আমরা এরই মধ্যে অনেক জায়গায় তাদের খোঁজাখুঁজি করেছি। এলাকায় মানুষ নানা কথা বলছে। ফয়সাল হুুজুরের ঘরে স্ত্রী ও তিন সন্তান রয়েছে। তার স্ত্রী দুই মাসের অন্তঃসত্ত্বা।

দেবিদ্বার থানার এসআই মো. আলমগীর হোসেন বলেন, ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী মো. আলাউদ্দিন লিখিত অভিযোগ করেছেন। আমরা তদন্ত করে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা নেব।

সূত্রঃ ডেইলি বাংলাদেশ

ইউটিউবে আমাদের চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুন: