কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের (কুসিক) ১৭নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর সৈয়দ মোহাম্মদ সোহেল ও আওয়ামী লীগ কর্মী হরিপদ সাহাকে গুলি করে হত্যার দিন দুপুরে মোহাম্মদ রাব্বি ইসলাম অন্তু নামে একজনের বাড়িতে এজহারভুক্ত ৭ আসামি গরুর মাংস দিয়ে ভাত খায়। অন্তু তাদের জন্য বাজার থেকে মাংস ও চাল কিনে আনে। রান্না করেন অন্তুর মা। খাওয়া-দাওয়া শেষে অটোরিকশা ডেকে ৭ আসামিকে বিদায় দেয় অন্তু।

সেই অন্তু ও মামলার ৮নং আসামি জিসানকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। রোববার রাতে অন্তুকে দেবিদ্বার উপজেলা ও জিসানকে কুমিল্লা নগরীর সংরাইশ এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। এ নিয়ে এ মামলায় ৬ জনকে গ্রেফতার করা হলো।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কুমিল্লা জেলা পুলিশের এক কর্মকর্তা এসব তথ্য জানিয়েছেন। তিনি আরো জানান, সোমবার দুইজনকে আদালতে হাজির করে সাতদিনের রিমান্ড আবেদন করেছে পুলিশ। আবেদনের শুনানি এখনো হয়নি।

চাঞ্চল্যকর জোড়া খুন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কায়সার হামিদ বলেন, অন্তু মামলার এজাহারভুক্ত আসামি না হলেও তদন্তে ঘটনায় তার জড়িত থাকার তথ্য পাওয়া গেছে। জিসান এ মামলার ৮নং আসামি। তাদের বিরুদ্ধে আদালতে সাতদিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ২২ নভেম্বর বিকেলে কুমিল্লা নগরীর পাথরিয়া পাড়ায় কাউন্সিলর কার্যালয় সংলগ্ন থ্রি স্টার এন্টারপ্রাইজে কাউন্সিলর সোহেল ও আওয়ামী লীগ কর্মী হরিপদ সাহাকে গুলি করে হত্যা করা হয়। ঐ ঘটনায় গুলিবিদ্ধ আরো পাঁচজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। জোড়া খুনের ঘটনায় ২৩ নভেম্বর রাতে কাউন্সিলর সোহেলের ছোট ভাই সৈয়দ মো. রুমন বাদী হয়ে ১১ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরো ১০ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন। সেই মামলায় এরই মধ্যে ৬ আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

ইউটিউবে আমাদের চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুন: