কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে দুটি গরু ও দুটি ছাগল চুরির মামলায় ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য আবদুল জলিল খাজাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তিনি উপজেলার উজিরপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য ও বলহরা গ্রামের মৃত আলী মিয়ার ছেলে। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন চৌদ্দগ্রাম থানার এসআই আবদুল্লাহ আল মামুন।

এলাকাবাসী ও মামলা সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার বলহরা গ্রামের সফিউর রহমান কিশোরের সর্দার ফার্মে বগুড়া সদর থানার কোশায়খোলা গ্রামের গোলাম রাব্বানী লিমন কেয়ার টেকার হিসেবে কাজ করতেন। লিমনের সঙ্গে সখ্যতা গড়ে তোলে বলহরা গ্রামের স্থানীয় ইউপি সদস্য আবদুল জলিল খাজা ও পার্শ্ববর্তী সদর দক্ষিণ উপজেলার জয়নগর গ্রামের আবুল মিয়া। গত ১১ এপ্রিল রাতে কেয়ারটেকার লিমন, আবুল মিয়া ও মেম্বার আবদুল জলিল খাজার যোগসাজশে ফার্মের দুটি গরু ও দুটি ছাগল চুরি হয়। পরদিন সকালে স্থানীয় ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে আবুল মিয়ার বাড়ির উঠানে গাছের সঙ্গে দুটি ছাগল বাধা অবস্থায় পাওয়া যায়। গণ্যমান্য ব্যক্তিদের মাধ্যমে ছাগলগুলো নিজ হেফাজতে নেন সফিউর রহমান কিশোর।

পরে কেয়ারটেকার লিমনকে সুয়াগাজী বাজারস্থ আবুল মিয়ার স’মিল থেকে আটক করে উপস্থিত লোকজনের সামনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে লিমন জানায়, আবুল মিয়া ও ইউপি সদস্য আবদুল জলিল খাজাসহ আরও ৪-৫ জন দুটি গরু ও দুটি ছাগল চুরি করেছে। চোরাই গরু দুটি আবুল মিয়া ও আবদুল জলিল খাজার হেফাজতে রয়েছে। এ ঘটনায় ফার্মের কেয়ার টেকার গোলাম রাব্বানী লিমনকে থানায় সোপর্দ শেষে প্রধান আসামি করে একটি মামলা দায়ের করে। মামলার অপর আসামিরা হলেন বলহরা গ্রামের ইউপি সদস্য আবদুল জলিল খাজা ও জয়নগর গ্রামের আবুল মিয়া।

তদন্তকারী কর্মকর্তা চৌদ্দগ্রাম থানার এসআই আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘গরু চুরির ঘটনায় প্রধান আসামি লিমনের স্বীকারোক্তি ও মামলায় আসামি হওয়ায় ইউপি সদস্য আবদুল জলিল খাজাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।’ বৃহস্পতিবার দুপুরে তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে বলে জানান তিনি।

ইউটিউবে আমাদের চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুন: