ওজন বাড়নো ও সতেজ রাখার জন্য চিংড়ি মাছের পেটে মিশানো হয় স্বাস্থ্যর জন্য ক্ষতিকর রাসায়নিক জেলি। বৃহস্পতিবার দুপুরে কুমিল্লা ভোক্তা অধিদপ্তরের অভিযানে ধরা পড়ে বিষয়টি। এমন অপরাধে মাছ ব্যবসায়ীকে জরিমানা করে মাছগুলোকে ধ্বংস করা হয়।

কুমিল্লা ভোক্তা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মোঃ আছাদুল ইসলাম বলেন, বৃহস্পতিবার আমরা নগরীর রাজগঞ্জ ও টমসমব্রীজ বাজারে অভিযান পরিচালনা করি। এ সময় চিংড়ি মাছে রাসায়নিক জেলি পাওয়া যায়। এসব জেলি স্বাস্থ্যর জন্য ক্ষতিকর। মাছ ব্যবসায়ীরা দীর্ঘদিন মাছকে সতেজ রাখা ও ওজন বাড়ানোর জন্য ব্যবহার করে। পরে অসাধুপায় অবলম্বনের দায়ে আমরা মাছ ব্যবসায়ীকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ এর সংশ্লিষ্ট ধারায় ৩০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করি। পরে জব্দ করা জেলি মিশানো সাড়ে ৮ কেজি চিংড়ি মাছ বাজার কমিটির নেতৃবৃন্দ ও জনসাধারণের উপস্থিতিতে ধ্বংস করি।

এদিকে বৃহস্পতিবার দুপুরে জেলা প্রশাসন ও ভোক্তা অধিদপ্তর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় একই ফ্রিজে বাসি খাবার রাখার দায়ে ভ্রাম্যমান আদালত বধুয়া ফুড ভিলেজকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট সৈয়দ ফারহানা পৃথা। অভিযানের সময় দোকানীদের ন্যায্যমূল্যে পণ্য বিক্রি, খাদ্যে নিষিদ্ধ দ্রব্য না মেশানো, দৃশ্যমান স্থানে মূল্য তালিকা প্রদর্শণ করাসহ সামাজিক-শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখে কেনা-বেচা করার নিদেৃশ প্রদান করা হয়।

অভিযানে উপজেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর একে আজাদ, জেলা পুলিশের একটি টিম, সংশ্লিষ্ট বাজার ব্যবসায়ী সমিতির প্রতিনিধি এ কাজে সার্বিক সহযোগিতা করেন।

ইউটিউবে আমাদের চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুন: