মঙ্গলবার মধ্যরাত থেকে কুমিল্লায় মুষলধারে বৃষ্টিপাত হয়েছে। কখনও মুষলধারে আবার কখনও গুড়ি গুড়ি এই বৃষ্টিতে স্থবির হয়ে পড়ে জনজীবন। জলাবদ্ধতা তৈরি হয়েছে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ (কুমেক) হাসপাতালের ভিতরের এলাকা। এদিকে রাত থেকে সারাদিনের এই বৃষ্টিপাতে তলিয়ে যায় কুমিল্লা নগরীর অনেক সড়ক। অপরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থা কোন কোন সড়ক হাটু পানির নিচে তলিয়ে যায়। এতে সাধারণ মানুষকে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয়।

সরেজমিনে নগরীর বিভিন্ন স্থান ঘুরে দেখা যায়, বৃষ্টির পানিতে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সড়ক, মাঠ এবং চারপাশের এরাকায় জলাবদ্ধতা তৈরি হয়েছে। পানি ঢুকে পড়েছে হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ডের নিচতলায়। এতে রোগি, স্বজন ও চিকিৎকরা চরম ভোগান্তিতে পড়েন। খুব দ্রুত হাসপাতালের এই জলাবদ্ধতা নিরসনের ব্যবস্থা না করলে অল্প বৃষ্টিতেই দূর্ভোগে পড়বে সংশ্লিষ্টরা।

কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. মো. মজিবুর রহমান জানান, বৃষ্টিতে হাসপাতাল এলাকায় জলাবদ্ধতা তৈরি হওয়া নতুন নয়। অল্প বৃষ্টিতেই পানির নিচে ডুবে যায় পুরো এলাকা। খুব দ্রুত পানি নিরসনের কাজ করতে হবে। হাসপাতালের পানি নিরসনে কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন একটি প্রকল্প হাতে নিয়েছে জানতে পেরেছি। কিন্তু কবে নাগাদ কাজ শুরু হবে সেটার সঠিক তথ্য বলতে পারবো না।

এদিকে কুমিল্লা নগরীর রাজগঞ্জ থেকে চকবাজার সড়ক হাটু সমান পানিতে তলিয়ে গেছে। ডুবে গেছে নগরীর নজরুল এভিনিউ এলাকার সড়ক। এছাড়া শহরের বিভিন্ন অলি-গলিসহ একাধিক সড়ক পানিতে ডুবে যায়। মূলত নগরীর বিভিন্ন সড়কে নির্মিত হওয়া অপরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থা র কারণে বৃষ্টির পানি জমে জলাবদ্ধতা তৈরি হয়েছে। আবার কোথাও পরিষ্কারের অভাবে ড্রেনগুলো এখন আর কাজে আসছে না বলে দেখা গেছে।

মিজানুর রহমান নামে নগরীর এক বাসিন্দা জানান, সারা বছরই ড্রেন এবং সড়ক নির্মানে কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন খোড়াখুড়ি করতে দেখা যায়। কিন্তু এখনও অল্প বৃষ্টিতেই সড়কের জলাবদ্ধতা তৈরি হয়। তাহলে এই খোড়াখুড়ির ফসল কি?

ইউটিউবে আমাদের চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুন: