কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার কংশনগর কামলাবাড়ি’র মোছাম্মৎ রাবেয়া বেগম (২৮) নামের দু’সন্তানের এক গৃহবধূ স্বামীর সাথে পারিবারিক বিরোধ নিয়ে ঝগড়ার এক পর্যায়ে কেরি’র ঔষধ খেয়ে আত্নহত্যা করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। তবে নিহতের ভাইয়ের দাবী নির্যাতন করে তার বোনকে হত্যা করে মুখে বিষ দিয়েছে। গত রোববার রাতে এঘটনাটি ঘটেছে।

স্থানীয় ও পুলিশ সুত্রে জানা যায়, জেলার বুড়িচং উপজেলার ভারেল্লা উত্তর ইউনিয়নের কংশনগর কামলা বাড়ি এলাকার জুয়েল রানার স্ত্রী রাবেয়া বেগম স্বামীর সাথে পারিবারিক বিষয় নিয়ে বিরোধের জের ধরে গত রোববার রাতে কেরির ঔষধ খেয়ে আক্তহত্যা করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

খবর পেয়ে দেবপুর ফাঁড়ি পুলিশের এসআই কাজী হাসানুদ্দিন এর নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল রাত আড়াইটায় লাশ উদ্ধার করে সুরতহাল রিপোর্ট শেষে প্রথমে ফাঁড়ি ও পরে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে প্রেরন করে। সোমবার দুপুরে ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে লাশ হস্তান্তর করে।

এদিকে নিহতের ভাই হাবিব জানান, বিয়ের পর থেকেই তার ছোট বোনের উপর যৌতুকের দাবীতে নানাভাবে নির্যাতন করে আসছিল জুয়েল রানা। এজন্য তাদের পরিবারের পক্ষ থেকে লাখ লাখ টাকার সহযোগীতা করা হয়েছিল। রোববার রাতে আবারো নির্যাতনের এক পর্যায়ে মোবাইল ফোন করে স্বামী জুয়েল রানা নিহত রাবেয়ার মা-বাবাকে তার নির্যাতনের আওয়াজ শোনানোর এক পর্যায়ে লাইনটি কেটে দেয়। পরবর্তীতে নিহতের মেয়েকে দিয়ে মোবাইল ফোনে তাদেরকে রাবেয়ার আত্নহত্যার সংবাদ জানায়। তিনি আরো বলেন,তার বোন আত্নহত্যা করেনি। তাকে নির্যাতন করে মেরে ফেলা হয়েছে।

ইউটিউবে আমাদের চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুন: