আজ ২৮ মে। কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় দিবস। ২০০৬ সালের ২৮ মে লালমাই পাহাড়ের পাদদেশে, ঐতিহাসিক শালবন বিহারের কোল ঘেঁষে কুমিল্লার কোটবাড়িতে প্রতিষ্ঠিত হয় দেশের মধ্য পূর্বাঞ্চলের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়। এ হিসেবে আজ ১৪ বছর পেরিয়ে ১৫ বছরে পা দিলো বিশ্ববিদ্যালয়টি।

অন্যান্য বছর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বিভিন্ন আয়োজন করলেও এবছর দেশের বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় কোনো আয়োজন থাকছেনা।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এমরান কবির চৌধুরী বলেন, ‘এবারের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপনের জন্য বছরের প্রথমেই একটা পরিকল্পনা নিয়েছিলাম আমরা। কিন্তু বর্তমানে করোনা ভাইরাসের এ পরিস্থিতিতে আমাদের সবারই তো হাত-পা বাঁধা। তবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে আমরা আগামীতে জাঁকজমকপূর্ণভাবে দিবসটি উদযাপন করবো।’

এদিকে বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।

উল্লেখ্য, ২০০৬ সালের ৫০ একর নিয়ে জায়গা নিয়ে দৃষ্টিনন্দন লালমাই পাহাড়ে পাদদেশে প্রাচীন সভ্যতার নির্দশন শালবন বিচারের কোল ঘেঁষে দেশের ২৬তম পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে যাত্রা শুরু করে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়। ২০০৬-০৭ শিক্ষাবর্ষে ৭টি বিভাগ, ৩০০ জন শিক্ষার্থী, ১৫ জন শিক্ষক ও ৫০ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়ে চালু হওয়া বিশ্ববিদ্যালয়টিতে বর্তমানে ৬ টি অনুষদের অধীনে ১৯টি বিভাগে প্রায় সাত হাজার শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য ৪টি আবাসিক হল রয়েছে। যেখানে ছাত্রদের জন্য তিনটি, ছাত্রীদের জন্য রয়েছে একটি আবাসিক হল। এছাড়াও শিক্ষকবৃন্দ ও কর্মকর্তাদের জন্য রয়েছে একটি ডরমেটরি। তাছাড়া একটি ছাত্রী হল এবং শিক্ষকদের জন্য একটি ডরমিটরি ও একটি গেস্টহাউজ নির্মাণাধীন রয়েছে।

বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিকতর উন্নয়নের ১৬৫৫ কোটি ৫০ লাখ টাকার মেগা প্রকল্পের উন্নয়ন কাজ প্রক্রিয়াধীন। এই প্রকল্পের অধীনে বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য আরো ২০০ একর ভূমি অধিগ্রহণের কথা রয়েছে।

ইউটিউবে আমাদের চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুন: