কুমিল্লার লাকসামে ধান খেত থেকে চিতা বাঘের শাবক বলে ধারণা করা হলেও উদ্ধারকৃত শাবকগুলো মেছো বিড়াল বলে শনাক্ত করেছে বন বিভাগ। সংরক্ষণের জন্য কক্সবাজারের দুুলাহাজরা সাফারি পার্কে পাঠানোর প্রস্তুতি নিয়েছে বন বিভাগ। মঙ্গলবার লাকসাম থানায় রক্ষিত ওই মেছো বিড়ালগুলো কুমিল্লা বিভাগীয় বন বিভাগে হস্তান্তর করা হয়। শাবকগুলো মেছো বিড়াল বলে নিশ্চিত করেন বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. নূরুল করিম। উদ্ধারকৃত ওই তিনটি মেছো বিড়ালের শাবকগুলোকে বাঘের শাবক হিসেবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার করা হলে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়।

লাকসাম থানা পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, সোমবার দুপুরে উপজেলার কান্দিরপাড় ইউনিয়নের চনগাঁও নোয়াপাড়া গ্রামের মাঠে হাজি সিরাজুল ইসলামের ছেলে মাসুম খান নিজেদের জমিতে ধান কাটতে গিয়ে ওই শাবকগুলো আটক করেন। এর মধ্যে দুটি শাবক তার নিজের কাছে রেখে বাকি একটি পাশ্ববর্তী গ্রামের আরিফকে দিয়ে দেয়। পুলিশ রাতে ওই তিনটি শাবক উদ্ধার করে লাকসাম থানায় নিয়ে আসে। লাকসাম থানার ওসি নিজাম উদ্দিন জানান, উদ্ধারকৃত ওই তিনটি শাবক মঙ্গলবার দুপুরে বন বিভাগের কর্মকর্তা থানায় এসে মেছো বিড়াল হিসেবে শনাক্ত করেন। সেগুলোকে তাদের কাছে হস্তান্তর করে দেয়া হয়।

কুমিল্লা বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. নূরুল করিম বলেন, লাকসামে বাঘের সাদৃশ্য উদ্ধারকৃত তিনটি মেছো বিড়াল আমাদের কাছে হস্তান্তর করেছে লাকসাম থানা। বাচ্চাগুলোর বয়স আনুমানিক চার মাস হবে। মেছো বিড়ালের বাচ্চাগুলো সংরক্ষণের জন্য কক্সবাজারের দুলাহাজরা সাফারি পার্কে পাঠিয়ে দেয়া হবে। এগুলোর প্রধান খাবার ছোট মাছ, পোকা ও সাপ।

ইউটিউবে আমাদের চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুন: