ডেস্ক রিপোর্টঃ কুমিল্লা ইপিজেডের শিল্প-কারখানার বর্জ্য কেন্দ্রীয় শোধনাগারে সঠিকভাবে পরিশোধন না হওয়ায় দূষণ ছড়িয়ে পড়ছে আশপাশে। রাসায়নিক বর্জ্যরে কারণে নদ-নদীর পানি দূষিত হওয়ার পাশাপাশি হুমকির মুখে পড়ছে জীববৈচিত্র্য। স্থানীয় পর্যায়ে বাড়ছে রোগব্যাধি।

কুমিল্লা রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল-ইপিজেডে শিল্প কারখানা রয়েছে ৪৭টি। এসব কারখানার বর্জ্য পরিশোধনের জন্য ২০১৫ সালে এখানে একটি পরিশোধনাগার নির্মাণ করা হয়। কিন্তু সঠিকভাবে পরিশোধন না হওয়ায় এখান থেকে প্রতিনিয়তই প্রচুর রাসায়নিক বর্জ্য পাশের নদী ও খালে গিয়ে মিশছে। দুষিত হচ্ছে পানি।

স্থানীয়দের অভিযোগ, কুমিল্লা ইপিজেড থেকে নিসৃত বর্জ্য যথাযথ পরিশোধন ছাড়াই পানিতে ফেলা হয়। এতে নগরীর রাজাপাড়া, দিশাবন্ধ ও কাজীপাড়াসহ সদর দক্ষিণ উপজেলার অন্তত ২০টি গ্রামের খাল-বিলের পানি দূষিত হচেছ। ছড়াচ্ছে দুর্গন্ধ, বাড়ছে রোগের ঝুঁকি।

পরিবেশবাদীরা বলছেন, এসব বর্জ্যরে কারণে কুমিল্লার ফসলি জমি নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। পাশাপাশি জীববৈচিত্র্যও হুমকির মুখে। ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে কয়েক লাখ মানুষ।

বর্জ্য সঠিক উপায়ে পরিশোধন করা না হলে এই ক্ষতি ধীরে ধীরে আরো বাড়বে বলে আশঙ্কা পরিবেশবাদীদের।