ঢাকা- চট্টগ্রাম হাইওয়ের কুমিল্লা এলাকায় গত ২ দিন ধরে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হচ্ছে। কুমিল্লা জেলা প্রশাসনের সহায়তায় এসব অভিযান পরিচালনা করছে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কতৃপক্ষ।

বুধবার মিয়ামি রিসোর্ট এবং হোটেল কাননে অভিযান চালায় এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জনাব এস এম শান্তুনু চৌধুরী এবং জনাব জ্যোতিশ্বর পাল।

দুইটি প্রতিষ্ঠানেই রান্নাঘরে অত্যন্ত নোংরা পরিবেশ পাওয়া যায় এবং রেফ্রিজারেটরে কাঁচা মাছ-মাংস ও রান্না করা খাবার একসাথে খোলা অবস্থায় পাওয়া যায়।

দুইটি প্রতিষ্ঠানের প্রত্যেকটিকে ৩,০০,০০০ (তিন লক্ষ) টাকা করে অর্থদন্ড প্রদান করা হয়। অর্থদন্ড অনাদায়ে মিয়ামি রিসোর্ট এর ফ্লোর ইনচার্জকে এবং হোটেল কানন এর ম্যানেজারকে ০১ (এক) মাস করে কারাদন্ড প্রদান করা হয়।

অভিযানকালে নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক মোহাং কামরুল হাসান এবং মো: মিজানুর রহমান সিকদার উপস্থিত ছিলেন। এর আগে গত মঙ্গলবার কুমিল্লা হাইওয়েতে অবস্থিত হোটেল নূরজাহানকে ৫ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

একই কারণে আরও দুটি হোটেলকে জরিমানা করা হয়। বাকি হোটেল দুটি হলো- তাজমহল এবং টাইমস স্কয়ার। নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের সদস্যরা অভিযানে গিয়ে হোটেল তিনটির রান্নাঘরে নোংরা পরিবেশ দেখতে পান।

মারাত্মক অপরিষ্কার ও অত্যন্ত নোংরা কিচেনের কারণে হোটেল নূরজাহানকে ৫ লাখ টাকা জরিমানা, তাজমহলকে ৩ লাখ এবং টাইমস স্কয়ারকে ৩ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।’

‘সময় বেঁধে দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে তারা কিচেনের পরিবেশ উন্নত না করলে চরম ব্যবস্থা নেয়া হবে।’ খাবারের দামের বিষয়ে তিনি লেখেন, ‘দামের বিষয়ে আমাদের করণীয় কিছু নেই।

সর্বোচ্চ খুচরা মূল্যের (এমআরপি) চেয়ে বেশি দাম রাখা হলে ভোক্তা অধিকারে অভিযোগ করতে হবে মেমো বা রশিদ দিয়ে। মূল্যতালিকা দেয়া থাকলে কারও করার কিছু নেই। ধরে নেয়া হয় ভোক্তা তা জেনেই খেয়েছেন।’