কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলার দৌলখাড় ইউপির পশ্চিম অংশের হতদরিদ্রের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচী ১০ টাকা কেজির চাউলের ডিলার আব্দুল মালেক প্রকাশ মাওলার বিরুদ্ধে চাউ ওজনে কম দেয়া, ভুয়া কার্ড দিয়ে বিতরন, এবং দরিদ্র শ্রেণির মানুষের সাথে অশ্লীল আচরণ করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

মাওলার ডিলার বাতিল এবং তাকে আইনের আওতায় এনে বিচারের দাবীতে পাইকোট গ্রামে শত শত মানুষ রাস্তায় দাড়িয়ে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেন। এতে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন- যুবলীগ নেতা বারব,সোহাগ, হতদরিদ্র শাহ আলম, ৪৩৮ কার্ড, বিউটি বেগম ৪৮৭ নং কার্ড, পারভিন আক্তারসহ প্রায় শতাধিক ব্যক্তি। তাদের অভিযোগ, করোনার করুণ পরিস্থিতিতে কর্মহীন মানুষের মাঝে সরকারি বরাদ্দকৃত চাল বিতরণে অনিয়ম করেছেন, আব্দুল মালেক প্রকাশ মাওলা। এ ছাড়াও ডিলার মাওলার বিরুদ্ধে চাল আত্মসাতের অভিযোগ করেন দরিদ্রা মানুষরা । চাল বিতরনের সময় ট্যাগ অফিসারও উপস্থিত থাকেন না। চাউল বিতরন করেন, ৩০ কেজির স্থানে ২০- ২২ – ২৪ কেজি।

কেউ প্রতিবাদ করলে ডিলার বলেন- তিনশ টাকার চাউল অনেক বেশি পাইছ। তাতে খুশি থাক। বাড়াবাড়ি করলে কোন চাউল তোমাদের কাছে বিক্রি করব না। আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ দিয়ে কোন লাভ হবে না। পাইকোট গ্রামে ৬০ টি কার্ড বরাদ্দ থাকলেও ওই গ্রামে ৫০ টি কার্ড দিয়েছে। দশটি কার্ডের চাউল ডিলার নিজে আত্মসাৎ করেন। প্রশাসনের কাছে দরিদ্র পরিবারের দাবী তদন্ত করে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হক।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত চাউলের ডিলার আবদুল মালেক প্রকাশ মাওলা বলেন- কাউকে চাউল ওজনে কম দেয়া হয়নি। এসব কার্ড করে দিয়েছে চেয়ারম্যান ও মেম্বার। তাদের তালিকা অনুযায়ী চাউল বিক্রি করছি।

স্থানীয় মেম্বার হারুন বলেন- প্রায় সময় দরিদ্র পরিবারের লোকজন যারা ১০ টাকা কেজির চাউল ক্রয় করে তারা চালের ডিলার আব্দুল মালেক প্রকাশ মাওলার বিরুদ্ধে অভিযোগ দেন।

দৌলখাড় ইউপির চেয়ারম্যান আবুল কালাম ভূঁইয়া বলেন- চাল বিতরন করার সময় ডিলার চেয়ারম্যান বা সচিবকে অবগত করেন নাই।

এ ব্যাপারে রোববার ট্যাগ অফিসার উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মুহাম্মদ নাছির উদ্দিন বলেন- চাউলের ডিলার যদি কাউকে চাল ওজনে কম দেয় বা অনিয়ম করে থাকে তাহলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লামইয়া সাইফুল বলেন- এখনো কেউ মুখিক বা লিখিত অভিযোগ দেয়নি। কেউ যদি অনিয়ম করে তাহলে তাকে আমি ছাড় দিব না।

ইউটিউবে আমাদের চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুন: