নিজস্ব প্রতিবেদকঃ পরিকল্পনা মন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন- নারীরা হচ্ছে উন্নয়নের চালিকা শক্তি। নারীরা আমাদের মা-বোন, বিশ্ব এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। আমাদের নারীরাও এগিয়ে যাচ্ছে, পূর্বের যেকোন সকারের তুলানায় বর্তমান সরকার অত্যন্ত নারীবান্ধব সরকার। এই সরকার নারীদের জন্য অনেক সুযোগ সুবিধা চালু করেছেন। নারীদেরকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য আমাদের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা অসংখ্য পদক্ষেপ গ্রহন করেছেন। উন্নয়নে নারী পুরুষ পাশাপাশি কাজ করতে হবে। নারীরা পিছেয়ে থাকলে উন্নয়ন সম্ভব নয়। আপনারা জানেন যে আমাদের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী, স্পীকার, বিরোধী দলীয় নেতাসহ অনেক মন্ত্রী এমপি নারী- সুতরাং রাজনীতিতেও নারীরা পিছিয়ে নেই। আপনাদেরকেও রাজনীতিতে পিছিয়ে পড়লে চলবে না। রাজনীতি করতে হবে, জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত একজন মানুষের জীবনে যাবতীয় ভালকাজই হচ্ছে রাজনীতি। উন্নয়নের জোয়ারে সামিল হতে হবে। দেশের জন্য কাজ করে যেতে হবে, কেননা আমরা রাজনীতি করি দেশের জন্য, দেশের মানুষের জন্য- কোন নারী পুরুষ ভেদাভেদ নেই। আমরা বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক, দেশ গড়ার কর্মী। তিনি গতকাল শুক্রবার বিকেলে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার বারপাড়া ইউনিয়নের দূর্গাপুরে এক মহিলা সমাবেশে বক্তব্য রাখছিলেন। অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন কুমিল্লা সদর দাক্ষিণ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান গোলাম সারওয়ার, বারপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ আবদুস সেলিম, আওয়ামীলীগ নেতা হাজী আবদুর রহিম।

মন্ত্রী বলেন আজ ৩ নভেম্বর জাতির জীবনে এক কলঙ্কিত দিন। ঘাতক চক্রের উদ্দেশ্য ছিল দেশে অগণতান্ত্রিক স্বৈরশাসনের উত্থানের পাশা পাশি নতুন প্রজন্মের চেতনা থেকে মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ মুছে ফেলা। কিন্তুু তারা সফল হতে পারেনি । রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধ অর্জনকারী দেশটি হত্যা, ক্যু ও ষড়যন্ত্রের রাজনীতির আবর্তে নিক্ষেপ করতে । কিন্তুু ষড়যন্ত্রকারীরা অন্ধকারের শক্তি সফল কাম হতে পারেনি। সংগ্রমী বাঙ্গালী জাতি তা ব্যর্থ করে দিয়েছে।

জাতির জনক বঙ্গঁবন্ধু শেষ মুজিবুর রহমানের হত্যাকান্ডের ধারা বহিকতায় ১৯৭৫ সালের ৩নভেম্বর স্বাধীনতা বিরোধী একটি চক্র বঙ্গঁবন্ধুর চার ঘনিষ্ঠ সহচর সৈযদ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দিন আহম্মেদ, ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী ও এ এইচ এম কামরুজ্জামানকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে নৃশংসভোবে হত্যা করে। আমি তাদের আত্মার মাগফেরাতের কামনা করছি।

মন্ত্রী এলাকার উন্নয়ন প্রসংঙ্গে বলেন, এই এলাকায় অনেক উন্নয়ন হয়েছে। আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে কুমিল্লা ইপিজেড স্থাপিত হয়েছে। যেখানে ৫০ হাজার লোকের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হয়েছে। জনগণের কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে একটি আইটি পার্ক স্থাপনের কাজ এগিয়ে চলছে। ইতিমধ্যে জমি অধিগ্রহনের কাজ শেষ হয়েছে। আপনারা আপনাদের ছেলে মেয়েদেরকে শিক্ষিত করেন আমি কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা আমি করব। এই এলাকার একমাত্র কলেজ লালমাই ডিগ্রী কলেজকে সরকারীকরন করা হয়েছে ।

ইউটিউবে আমাদের চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুন: