ডেস্ক রিপোর্টঃ কিবরিয়া দরিদ্র পরিবারের মেধাবী শিক্ষার্থী। কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজের অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র। কিডনি অকেজো হয়ে কিবরিয়া মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে। তার দেহের দুইটো কিডনি ৯৯ভাগ নষ্ট হয়ে গেছে। মেধাবী শিক্ষার্থী কিবরিয়ার চিকিৎসার প্রয়োজনে ছেলেকে বাঁচাতে সাহায্য-সহায়তার জন্য মানবিক আবেদন জানিয়েছেন তার দরিদ্র মা-বাবা।

কিবরিয়া বাঁচতে চায়! অকেজো হয়ে যাওয়া কিডনি ডায়ালাইসিস খরচ, কিডনি সংগ্রহ, প্রতিস্থাপন এবং তার চিকিৎসার প্রয়োজনে ব্যয় করার মত অর্থ তার পরিবারের নেই। তাই সমাজের বিত্তবান মানুষের কাছে তার পরিবার সাহায্যের আবেদন জানিয়েছে।

কিবরিয়া জানায়, কিডনি ডায়ালাইসিসের মাধ্যমে তাঁর শরীরের রক্ত পরিশোধন করা হয় এবং এর মাধ্যমে সে বেঁচে আছে। তাঁর চলাফেরা সীমিত, সে কাজ করতে পারে না, দূরে কোথাও ঘুরতে যেতে পারে না এমনকি খাওয়া-দাওয়াও খুব সীমিত। সবসময় ক্লান্ত অনুভব করেন তিনি। একটি নতুন কিডনি ফেলে সে বাঁচতে পারবে বলে জানায়।

জানা যায়, প্রতিদিন কিডনি ডায়ালাইসিসে বর্তমানে প্রতি সপ্তাহে কমপক্ষে ১০-১২ হাজার টাকা লাগে।

মো. কিবরিয়া কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার ফতেহাবাদ গ্রামের কালা গাজীর বাড়ির মো. মানজু মিয়ার ছেলে। কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজে পড়া-লেখা করার সুবিধার্থে নগরীর জাঙ্গালিয়ায় নানা বাড়িতে থাকেন। নানা বাড়িতে থেকেই পড়া-লেখা করা মুহূর্তে আগস্ট মাসে কিবরিয়ার কিডনি রোগ ধরা পড়ে।

মা মমিনা খাতুন জানান, দুইমাস পূর্বে ছেলে কিবরিয়ার কিডনি রোগ ধরা গড়ে। চিকিৎসার জন্য কিডনি পরীক্ষা করালে সর্বপ্রথম কুমিল্লা মিডল্যান্ড হাসপাতালের চিকিৎসকরা নিশ্চিত করেন তার দুইটো কিডনি ৯৫ ভাগ নষ্ট হয়ে গেছে। পরবর্তীতে কুমিল্লা মুন হাসপাতাল এবং কুমিল্লা মেডিকেল সেন্টার (টাওয়ার) হাসপাতালে পরীক্ষা করলে চিকিৎসকরা একই কথা বলেন। এরপর চট্টগ্রাম পার্কভিউ হাসপাতালে কিডনি পরীক্ষা করলে ওই হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. রফিকুল হাসানও জানান কিবরিয়ার দেহের দুইটো কিডনি ৯৯ ভাগ নষ্ট হয়ে গেছে।

মমিনা খাতুন আরও জানান, কিবরিয়া বর্তমানে চট্টগ্রাম পার্কভিউ হাসপাতালের অধিনে থেকেই চিকিৎসা নিচ্ছেন। দুইটো কিডনি ৯৯ ভাগ নষ্ট হয়ে যাওয়ায় দুইদিন পর পর কিডনি ডায়ালাইসিস করা হচ্ছে। তাকে বাঁচাতে কিডনি দিয়ে সহায়তা এবং বিত্তবানদের কাছে সাহায্যের আবেদন জানান।
বড় ভাই মো. অলিউল্লাহ জানান, কিডনি ডায়ালাইসিস করে কিবরিয়াকে সাময়িকভাবে বাঁচানো গেলেও চিকিৎসকরা জানিয়েছেন খুব তাড়াতাড়ি তার দেহে একটি কিডনি প্রতিস্থাপন করতে হবে। তা না হলে তাকে বাঁচানো যাবে না। কোন সহায়তা কারি যদি তাকে একটি কিডনি দান করে, তাহলে কিবরিয়া বাঁচতে পারবে।

কোন সাহায্যকারী কিবরিয়াকে কিডনি দিয়ে সহায়তা করেন এবং তার চিকিৎসায় আপনারা যদি আর্থিক সাহায্য পাঠাতে চান তাহলে নিচের বিকাশ নাম্বারে সহায়তা পাঠাতে পারেন:-
যোগাযোগ ও অভিভাবকের বিকাশ (০১৭৩৫১৫৫৪৪১) কিবরিয়ার বড় ভাই অলিউল্লাহ
ডাচ-বাংলা ব্যাংক কুমিল্লা ঝাউতোলা শাখা, একাউন্ট নং- (১৯৪১০৩৪৭৯২২)