কুমিল্লার তিতাসে আটকৃত আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সদস্য শরীফ আহম্মেদ সরকার একটি মসজিদ কমিটির সভাপতি বলে জানা গেছে। এই বিষয়ে সাধারণ জনসাধারণ বিস্মিত। এটা কিভাবে সম্ভব? একজন ডাকাত কিভাবে মসজিদ কমিটির সভাপতি হয়? প্রশ্ন জনমনে।

গতকাল ১৫ মার্চ দিবাগত রাত ২.৩০ টার দিকে নারান্দিয়া ইউনিয়ন ফ্রেন্ডস ক্লাবের সভাপতির বাসায় ডাকাতি করতে গেলে তাকে আটক করা হয়। আল আমিন মাসুমের সহযোগিতায় তার ভাই বন্ধুরা ডাকাত দলের সদস্য শরীফকে (৩০) আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে। ৭-৮ জনের ডাকাত দলের অন্যরা পালিয়ে যায়।

আটককৃত ডাকাত শরীফ তিতাস উপজেলার জগতপুর ইউনিয়নের কৈয়ারপাড় রায়পুর গ্রামের বাসিন্দা। তার বাবার নাম মৃত খুরশিদ মিয়া। সে এলাকার একজন চিহ্নত ডাকাত।

শরিফ পূর্বেও তিতাস উপজেলার আসমানিয়ায় ডাকাতি করতে গিয়ে ধরা খেয়েছিল। গতকাল নারান্দিয়ায় ডাকাতি করতে গিয়ে পুনরায় ধরা খেল।
এই দিকে শরীফের নিজ এলাকার কোথাও কোথাও মিষ্টি বিতরণের খবর পাওয়া গেছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন বলেন, সে একজন প্রফেশনাল চোর এবং ডাকাত। এই কাজে তার বোন তাকে সহযোগিতা করে বলেও জানান তারা। শরীফের দেয়া তথ্যমতে পুলিশ আরও একজনকে আটক করেছে বলে জানা গেছে। তবে পুরো টিমকে ধরার কৌশল হিসেবে এখনই তার নাম পরিচয় প্রকাশ করা যাচ্ছে না।

এই দিকে তিতাসে একের পর এক যখন সিরিজ ডাকাতি ঠেকানো যাচ্ছে না, ঠিক সেই সময় ফ্রেন্ডস ক্লাবের সদস্যরা এই অসাধারণ কাজটি করল। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ সর্বত্র তাদের প্রশংসা করছে সাধারণ মানুষজন।

বিষয়টি নিয়ে তিতাস থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সৈয়দ মোহাম্মদ আহসানুল ইসলাম বলেন, আটককৃত ডাকাতের দেয়া তথ্যানুযায়ী অন্য সদস্যদের গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত থাকবে। নিয়ম অনুযায়ী মামলা হবে।

ইউটিউবে আমাদের চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুন: