মাছের অভয়ারণ্য খ্যাত কুমিল্লায় এ বছর চাহিদা ও লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে উৎপাদন হয়েছে ২ লাখ ৫৬ হাজার মেট্রিক টন মাছ।

বিশেজ্ঞরা বলছেন, প্রাকৃতিক উৎস ছাড়াও কুমিল্লায় মাছের চাহিদা পূরণ ও অধিক উৎপাদনের মূল কারণ হচ্ছে প্লাবন ভূমিতে মাছ চাষ। আর ভরা এই মৌসুমে দ্বিগুণ মাছ পেয়ে খুশি মৎস্য চাষিরা।

কুমিল্লার আরেক নাম মাছের অভয়ারণ্য। যেখানে প্রায় প্রতি বছরই চাহিদা ও লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক বেশি মাছ উৎপাদন হয়ে থাকে।

১৯৮৬ সালে কুমিল্লায় সর্ব প্রথম প্লাবন ভূমিতে মাছ চাষ শুরু হয় দাউদকান্দি উপজেলায়। এরপর থেকে দাউদকান্দি ছাড়াও কুমিল্লার মেঘনা, হোমনা, মুরাদনগর, তিতাস উপজেলার প্লাবন ভূমিতেও মাছ চাষ হচ্ছে। চাষীরা বলছেন, প্রতিবছরই লক্ষ্যমাত্রা চাড়িয়ে যাচ্ছে মাছ চাষে। উৎপাদন বার হওয়ায় লাভও ভাল।

শুধু প্লাবন ভূমিতে নয়, সৃষ্ট জলাবদ্ধতাকে কাজে লাগিয়ে শিক্ষিত তরুণ, কৃষক ও জেলেরাও মাছ চাষ শুরু করেছেন। যা এনে দিয়েছে মাছ চাষে ভিন্ন মাত্রা।

কুমিল্লার প্লাবন ভূমিতে মাছ চাষ সারাদেশে রোল মডেল হিসেবে গণ্য হচ্ছে দাবি করে মৎস্য উৎপাদনে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা জনালেন জেলা মৎস্য কর্মকর্তা শরীফ উদ্দিন। এসময় তিনি বলেন, যে ভাবে মৎস সম্পদে সমৃদ্ধ হচ্ছে দেশ তাতে করে বিশ্বে মৎস সম্পদে আরো এগিয়ে যাবে দেশ।

চলতি বছর কুমিল্লা জেলার ২ লাখ ৫৬ হাজার ৯শ ৪৭ মেট্রিক টন মাছ উৎপাদন হয়েছে। যা চাহিদার তুলনায় ১ লাখ ২০ হাজার ৬৭ টন বেশি।

ইউটিউবে আমাদের চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুন: