ডেস্ক রিপোর্টঃ কুমিল্লার জেলার চারটি উপজেলার ১৫টি ইউনিয়নে ইউপি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনকে ঘিরে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের ভোটারদের মাঝে বিভিন্ন ধরনের শঙ্কা বিরাজ করছে। নির্বাচনী প্রচার প্রচারণায় লাকসাম মুদাফরগঞ্জ উত্তর, নাঙ্গলকোট আদ্রা উত্তর এবং নাঙ্গলকোট দৌলখাঁড় ইউনিয়নসহ অন্যান্য ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী এবং ওয়ার্ড মেম্বারদের মধ্যে একাধিক হামলা, সংঘর্ষ ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এতে করে ১৫টি ইউনিয়নের ১৪০টি কেন্দ্রের ভোটারদের মাঝে বাড়ছে উদ্বেগ-উৎকন্ঠা।

এছাড়া দলীয় প্রতীকে নির্বাচন হওয়ায় ভোটাররা সবগুলো কেন্দ্রকেই ঝুঁকিপূর্ণ চোখে দেখছেন বলে জানা যায়।

পুলিশ সুপার মো. শাহ আবিদ হোসেন ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তাও বলছেন, চারটি উপজেলার নির্বাচনী ১৫টি ইউনিয়নের সবগুলো কেন্দ্রকে আমরাও গুরুত্বপূর্ণ মনে করছি।

পুলিশ সুপার জানান, নাঙ্গলকোট ও লাকসামের কয়েকটি ইউনিয়নের বিচ্ছিন্ন কিছু সংঘর্ষ ও ভাঙচুরের ঘটনা আমাদের নজরে এসেছে। সেই লক্ষ্যে আমরা সবগুলো ইউনিয়নকে এখন গুরুত্ব দিচ্ছি। শঙ্কামুক্ত রেখে ভোটারদের নিরাপত্তা দিতে, ১৫টি ইউনিয়নের নির্বাচনী মাঠে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে ১২শ’ পুলিশ সদস্য মোতায়েন থাকবে। এছাড়া পুলিশকে সহযোগিতা করতে অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা সদস্যদের মধ্যে ১৫ প্লাটুন বিজিবি, ১৫ প্লাটুন র‌্যাব, নির্বাহী অফিসার ও ম্যাজিস্ট্রেটসহ আনসার ভিডিপির ২৫শ সদস্য মোতায়েন থাকবে বলে তিনি জানান।

কুমিল্লা জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. খোরশেদ আলম জানান, ২৮ ডিসেম্বর জেলার ১৫টি ইউনিয়নে ইউপি নির্বাচন ও ৪টি ওয়ার্ডে উপ-নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনের সবগুলো কেন্দ্রকে আমরা গুরুত্বপূর্ণ মনে করছি। নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। নির্বাচনের আগের দিন নির্বাচনের কাজে ব্যবহৃত সকল ধরণের সামগ্রী সংশ্লিষ্ট উপজেলায় পাঠিয়ে দেয়া হচ্ছে।

ইউটিউবে আমাদের চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুন: